আর্থিক প্যাকেজ কার্যকরী হবে ৪৫ দিন পর,মানে ১০০ দিন হয়ে গেল পার


লকডাউনে বেসামাল জনজীবন।কোন দিকে যাবে শ্রমিকরা? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে মরিয়া নেপালের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বিদ্যুৎ পোদ্দার। শুক্রবার তিনি বলেন, দেশে তিনটি তন্ত্র----১। সমাজতন্ত্র, ২।গণতন্ত্র,৩।শ্রমিকতন্ত্র। তবে এই 'শ্রমিকতন্ত্র' বলতে কিছু হয় না।কিন্তু এই শব্দের মানে আছে তাদের কাছে যারা শ্রমিকদের নিয়ে ওতপ্রতভাবে জড়িত। এদিন তিনি কেন্দ্র সরকারের আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার উপর কিছু প্রশ্ন করেন।তিনি বলেন,কেন্দ্রে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন এই প্যাকেজ কার্যকরী হবে ৪৫ দিন পর।ফলে আগে আমাদের প্রায় দেড় মাস চলে গেছে আরও ৪৫ দিন।অতএব ১০০ দিন পার করে শ্রমিকরা সুফল দেখবে।কিন্তু ততদিনে কি করে চলবে তারা? খাবে কি??লকডাউন আরও বাড়লে ততদিন তারা দিন কাটাবে কি করে?পেটের টানে দূর দুরান্তে যায় কাজ করতে,আজ তার জন্য তারা পরিযায়ী শ্রমিকের অ্যাখ্যায় ভূষিত হয়।

করোনা মারণ ভাইরাসের থাবায় বেসামাল গোটা বিশ্বের জীবনযাপন।সমস্ত কাজ বন্ধ শ্রমিকদের এমতবস্থায় যদি সরকার সাহায্য না করে তাহলে  কে করবে? কিন্তু সরকারের স্কিম পেতে আরও ৪৫ দিন ততদিনে কার্যত অভুক্ত থাকতে হবে শ্রমিক তথা নিম্মবিত্তদের।শ্রমিকদের জন্য সরকারের ভাবনা চিন্তা আজও পরিষ্কার নয়। তিনি বলেন, শুধু আর্থিক প্যাকেজ করলে হবে না,এই মুহূর্তে শ্রমিকদের হাতে দরকার কিছু অর্থ দেওয়ার। পাশাপাশি তিনি বলেন,বেশিভাগ টাকাই স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ করে রাখা উচিত, যাতে আগামীদিনে ভারতে কেউ যেন এই ঘটনার সম্মুখীন না হয়।আজ বিশ্ব পরিবার দিবসে শ্রমিকদের নিয়ে চিন্তা করার আর্জি জানান বিদ্যুৎ বাবু।  
Loading...

No comments

Powered by Blogger.