বুক ভরা আশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চপারের দিকে তাকিয়ে বকখালির ক্ষতিগ্রস্তরা


ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে সম্পূর্ণভাবে রাস্তায় বসতে হলো বকখালির পর্যটনের উপর নির্ভরশীল ব্যবসায়ীদের। প্রায় মাস ছযেক আগে বুলবুলের দাপটে সম্পূর্ণভাবে ধুলিস্যাৎ হয়ে গিয়েছিল পর্যটনের ওপর নির্ভর করে থাকা বকখালির দোকানপাট গুলি। তারপরে অতিক্রান্ত হয়েছে চার মাস শুরু হয়েছে লকডাউন। ফলে দুমাস সম্পূর্ণ পর্যটক শূন্য ছিল বকখালি। আর তারপর আবার ধাক্কা, মৃতপ্রায় ব্যবসায়ীদের উপর মরার উপর খাড়ার ঘা এর মতো আছড়ে পড়ল আমফান। বকখালি সী বিচে ঝিনুকের দোকান থেকে শুরু করে খাবার দাবার ছোটখাটো হোটেলসহ 428 টি দোকান রয়েছে। তারা আশা করেছিল এবার লকডাউন উঠে গেলে আবার পর্যটক সমাগম হবে বকখালি তে। কিন্তু সব আশায় জল ঢেলে দিল ঘূর্ণিঝড় আমফান। অধিকাংশ দোকানের ছাদ ই উড়ে গেছে ঝড়ের দাপটে। ভেঙে গেছে দোকান ক্ষতি হয়েছে দোকানে থাকা সামগ্রীর। এমত অবস্থায় তাদের দুবেলা-দুমুঠো খাওয়ার রসদ ধীরেধীর শেষ হয়ে আসছে। লকডাউন এর কারণে যে সরকারি ত্রাণ দেয়া হচ্ছিল তাও প্রায় শেষের পর্যায়ে। আরফান এর ফলে এখনো পর্যন্ত এসে পৌঁছয় নি কোন সরকারি সাহায্য। আরফানের দাপটে প্রায় ধূলিসাৎ হয়ে গেছে সমস্ত দোকানপাট। এমনকি যারা সমুদ্রসৈকতে ঠেলায় করে মাছ ভাজা আইসক্রিম বিক্রি করতেন তাদের ঠেলা গাড়ি গুলো বালির ঝডে চলে গেছে বালির তলায়। এমত অবস্থায় আকাশপথে ঘুরে দেখলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তারা এক বুক আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে সেই হেলিকপ্টারের দিকে যদি তাড়াতাড়ি পাওয়া যায় সরকারি সাহায্য তাহলে দু'মুঠো খেতে পেয়ে অন্তত তারা বাঁচতে পারে।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.