রেসিসট্যান্ট ফ্রন্ট, কাশ্মীরে তৈরি হচ্ছে নতুন পাক জঙ্গি সংগঠন : সেনাপ্রধান


করোনা আবহে বিশ্ব ত্রস্ত। কিন্তু পাকিস্তান আছে পাকিস্তানেই। তাদের চরিত্রের কোনও পরিবর্তন নেই। বুধবার এই ভাষাতেই পাকিস্তানকে একহাত নিলেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল এমএম নারাভানে। এদিন তিনি বলেন কাশ্মীরে নতুন জঙ্গি সংগঠন তৈরি করছে পাকিস্তান। এর নাম দেওয়া হয়েছে দ্যা রেসিসট্যান্ট ফ্রন্ট।
এদিন পাক মদতের কথা পরিষ্কার জানান সেনাপ্রধান। কাশ্মীরে এই নতুন জঙ্গি সংগঠনে যে পাক আশ্রয় স্পষ্ট তা সাফ জানান নারাভানে। কাশ্মীরকে নতুন করে অসান্ত করে তুলতেই জঙ্গি সংগঠনটি তৈরি করেছে পাকিস্তান বলে সূত্রের খবর। সীমান্তের ওপার থেকে এর জন্য আর্থিক মদতও আসছে বলে জানা গিয়েছে।
সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাতকারে সেনাপ্রধান বলেন এই জঙ্গি সংগঠনে নতুন কিছু নেই। পুরোনো কিছু সংগঠনের প্রশিক্ষিত সদস্যদের নিয়ে তৈরি হয়েছে রেসিসট্যান্ট ফ্রন্ট।এদের প্রশিক্ষণ চলছে আরও। সেই কাজে সাহায্য করছে জইশ ই মহম্মদ ও হিজবুল মুজাহিদিন।
নারাভানে এদিন উল্লেখ করেন, সম্প্রতি উপত্যকায় কীভাবে সন্ত্রাসের হার বেড়েছে। প্রায় প্রতিদিনই সীমান্তে গুলির লড়াই চলে। বিনা প্ররোচনায় পাকিস্তান সেনা গুলি বর্ষণ ও মর্টার হামলা করে বলে অভিযোগ করেন নারাভানে। এছাড়াও গরম পড়ার সাথে সাথে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে বেশ কিছু জঙ্গি এদেশে সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে বলে জানান সেনাপ্রধান।
এদিকে বুধবার রাতভোর সীমান্ত উত্তপ্ত ছিল। জঙ্গিদের সঙ্গে এনকাউন্টার শুরু হয় সেনাবাহিনীর। কাশ্মীরের কুলগামের যামরাচ এলাকায় চলে এনকাউন্টার।

কতজন জঙ্গি রয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রাথমিকভাবে না জানা গেলেও, জানা যায় নিরাপত্তা রক্ষী ও কাশ্মীর পুলিশ ফোর্সের যৌথ দল জঙ্গিদের বিরুদ্ধে এই এনকাউন্টার চালায়।
জানা গিয়েছে, পুলিশের কাছে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য ছিল। খবর মোতাবেক পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর দল ওই এলাকায় পৌঁছতেই গুলি বর্ষণ শুরু করে জঙ্গি বাহিনী। এরপর পালটা দেয় ভারতীয় বাহিনীও।
উল্লেখ্য ১১ই মে খবর পাওয়া গিয়েছিল কাশ্মীরে একাধিক হামলার আশঙ্কা রয়েছে। এই মর্মে সতর্ক করেছিল গোয়েন্দা রিপোর্ট। ফলে কাশ্মীর জুড়ে জারি করা হয় লাল সতর্কতা। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এই হামলা চালানোর জন্য তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। সেনা ও আধা সেনার ওপর চলতে পারে বোমা হামলা। জানায় গোয়েন্দা রিপোর্ট।
যে কোনও সময়ে এই হামলা চালাতে পারে জইশ। গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ বা আত্মঘাতী জঙ্গি দিয়ে বিস্ফোরণের আশঙ্কা ছিল বলে সূত্রের খবর। জানা যায় এই রিপোর্ট পাওয়ার পরেই কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে কাশ্মীর জুড়ে।
সুত্র : কলকাতা ২৪x৭
Loading...

No comments

Powered by Blogger.