ধেয়ে আসছে আম্ফানঃ বিধ্বংসী ক্ষমতা নিয়ে সতর্ক করলেন আবহাওয়াবিদরা

Cyclone Amphan further intensifies into 'Very Severe Cyclonic Storm'

তীব্রতার মাপকাঠিতে ইতিমধ্যেই পূর্বের অনেক রেকর্ড ভেঙে দিয়ে এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। দিল্লির আবহাওয়া দপ্তরের মহাপরিচালক সঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন ২০ মে অর্থাৎ বুধবার বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে সবথেকে বড় বিপদ হয়ে আছড়ে পড়তে চলেছে আম্ফান। ঝড়টি এখন উত্তর-উত্তর পূর্ব অভিমুখে এগোচ্ছে, বুধবার এটি পশ্চিমবঙ্গের বিকেল বা সন্ধ্যায় দীঘা আর বাংলাদেশের হাতিয়ার মাঝামাঝি কোনো একটা এলাকা দিয়ে সমুদ্রতট অতিক্রম করবে। আছড়ে পড়ার সময় বাতাসের বেগ ঘন্টায় ১৮৫ থেকে ১৯০ কিলোমিটারের মতো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারতের বেসরকারি আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা স্কাইমেটের প্রধান মহেশ পালাওয়াট জানিয়েছেন, এই শতাব্দীতে প্রাক-মনসুন পর্বে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এটাই কিন্তু প্রথম সুপার সাইক্লোন। এর আগে ২০০৭ সালের জুনে আরব সাগরে সুপার সাইক্লোন 'গোনু' তৈরি হয়েছিল – যেটা পরে ওমানের দিকে সরে যায়।
আম্ফান এর মধ্যেই ঘন্টায় দেড়শো কিলোমিটারেরও বেশি গতিবেগসম্পন্ন ঝোড়ো বাতাসে পরিণত হয়েছে। মাত্র চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে এটা একটা ঘূর্ণিঝড় থেকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে, সেটাও একটা রেকর্ড। উপকূলের কাছাকাছি এলে এই ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা সামান্য কমবে, তবে তার পরেও এর বিধ্বংসী ক্ষমতাকে খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন জানাচ্ছেন পালাওয়াট।
তিনি বলছিলেন, স্থলভূমি থেকে শুকনো বাতাস এসে সিস্টেমটাকে কিছুটা দুর্বল করে দেয় – এই আম্ফানের ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটবে। কিন্তু তার পরেও এটা একটা প্রচন্ড সাঙ্ঘাতিক ঘূর্ণিঝড় – যার তান্ডব আর ক্ষয়ক্ষতি সাধনের ক্ষমতা মারাত্মক। ফলে পুরো উপকূলীয় এলাকা জুড়েই মানুষকে সাবধান থাকতে হবে।


Loading...

No comments

Powered by Blogger.