লকডাউনে কোয়েল পাখি ব্যবসায়ী লোকসানের মুখে


লকডাউনে কোয়েল পাখি ব্যবসায়ী লোকসানের মুখে 


ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়ে কোয়েল পাখি চাষ করে বিক্রি করতে না পারায় চিন্তায় যুবক। লকডাউনের জন্য কোয়েল পাখি বিক্রি হচ্ছে না। খরচ বাড়ছে। খাওয়ার অভাবে মারা যাচ্ছে পাখি । শ্যামপুরের বালিচাতুরী গ্রামের প্রবীর কয়াল গত অক্টোবর মাসে কোয়েল পাখি চাষ করবে বলে একটি রাষ্ট্রীয় ব্যাঙ্ক থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা লোন নেয়। টাকা দিয়ে পাখি থাকার জন্য ঘর তৈরি করে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ২৮ তারিখে ৩০০০ হাজার কোয়েল পাখি নিয়ে আসে। একটি পাখি ৩৬/৩৭ দিনের মধ্যে ১৮০ গ্রাম হয়। তখনই বাজারে ৩৭/৪০ টাকা বিক্রি করলে লাভের মুখ দেখা যায়। লকডাউনের জন্য প্রায় ষাট দিন পার হয়ে যাচ্ছে। চিন্তায় পড়েছে প্রবীর বাবু। তিনি বলেন লকডাউনে সমস্ত রেস্তরাঁ বন্ধ। পাখি কেনার কোন খরিদ্দার নেই। পাখির খাবার চড়া দামে কিনতে হচ্ছে। এর ফলে লাভ হবে না। ব্যাঙ্কের কিস্তি কিভাবে শোধ করবো বুঝতে পারছিনা। প্রবীরবাবু স্ত্রী, এক ছেলে, বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাইকে নিয়ে সংসার। আয় বলতে কোয়েল পাখি চাষ । লকডাউনের ফলে রোজগার বন্ধ। উল্টে ধার দেনা করে পাখিকে খাওয়াতে হচ্ছে। তিনি বলেন ৩৬/৩৭ দিনের মধ্যে পাখির ওজন হয় ১৮০ গ্রাম। তখন বিক্রি করতে হয়। কিন্তু লকডাউন হওয়ার জন্য বিক্রি করা যাচ্ছে না। প্রতিদিন খাওয়াতে তিন হাজার পাখিকে খরচ হচ্ছে ২৮০০ টাকা। খাওয়ার খরচ জোগাতে পারছিনা বোলে প্রতিদিন বেশ কয়েকটি করে পাখি মারা যাচ্ছে । বিয়াল্লিশ দিন পর থেকে এই পাখি ডিম দিতে শুরু করে। প্রতি ডিমের দাম দু টাকা। কিন্তু সেটাও বিক্রি হচ্ছে না। চিন্তায় প্রবীর বাবুর পরিবার।

Loading...

No comments

Powered by Blogger.