বিশ্ব ক্যানসার দিবসে ভারতকে চরম সতর্কতা দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা



একটা সময় ক্যানসার বা কর্কট রোগকে অপ্রতিরোধ্য বলেই মনে করা হত। কিন্তু আজ বিজ্ঞানীদের নিরলশ প্রচেষ্টায় চিকিৎসার অনেক পথ পাওয়া সম্ভব হয়েছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ব্যায় সাপেক্ষ হলেও চিকিৎসায় সুরাহা মিলছে ক্যানসারে। তাই আজ আর ততটা মারন ব্যাধি নয় এই রোগ। কিন্তু রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে মানুষকে সচেতন থাকতে হবে কিভাবে এই রোগের খপ্পরে না পড়তে হয়। আমাদের জীবনাচরণে আমরা এমন কিছু অভ্যাস গড়ে তুলি বা এমন কিছু জিনিসের প্রতি নিজেদের জড়িয়ে ফেলি তাতে ক্যানসারের মত মারণ রোগের কবলে পড়তে হয় আমাদেরকে। আজ ৪ঠা ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ক্যানসার দিবস। আজকের দিনের ভারতের জন্য চমকে দেওয়ার মত তথ্য সামনে আনল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO। এই সংস্থার করা সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, আর্থিকভাবে অনুন্নত দেশগুলিতে ক্যানসারের প্রকোপ বেড়েছে ৮১ শতাংশ। সেই তালিকায় রয়েছে আমাদের দেশও। রোগ নির্ণয়ে গলদ, চিকিৎসায় খামতি এবং সচেতনতার অভাব যার অন্যতম প্রধান কারণ।

Image result for world cancer day 2020"

কি কি কারণে ভারতে ক্যানসারের মত রোগের বিস্তার ঘটছে তাও দেখানো হয়েছে হু’র সমীক্ষায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, এর কারণ অনেক। 

প্রথমত, বাড়তি ওজন বা ওবেসিটি। ওজন নিয়ন্ত্রণ না করলে নারী পুরুষ নির্বিশেষে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। খাদ্যাভাসই এর জন্য মূলত দায়ী। এক তৃতীয়াংশ মৃত্যুর কারণ ‘হাই বডি-মাস ইনডেক্স।’

দ্বিতীয়ত, তামাক এবং অ্যালকোহল। সিগারেট, বিড়ি, গুটখা, খৈনি সহ যাবতীয় তামাকজাত নেশার কারণে ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়েছে অন্তত ২২ শতাংশ।   বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট বলছে, তামাকজাত নেশা এবং অ্যালকোহলের কারণে ২০৪০ সালের মধ্যে ক্যানসার রোগে মৃতের সংখ্যা বাড়বে অন্তত ৬০ শতাংশ।

তৃতীয়ত, ফুসফুস, কোলেস্টেরল, লিভার ও স্তন ক্যানসারে বহু মানুষের মৃত্যু হয় এই দেশে। সেডেন্টারি লাইফস্টাইলও ক্যানসার ডেকে আনতে পারে।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.