অঙ্গনওয়াড়ীর খিচুড়িতে টিকটিকি, উত্তেজনা


মৃন্ময় নস্কর, দঃ২৪পরগনাঃ অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্র থেকে বিতরণ করা মিড ডে মিলের খিচুড়িতে টিকটিকি মেলায় চাঞ্চল্য ছড়াল ভাঙড়ের পাওয়ার গ্রিড এলাকায়।মঙলবার সকালে পোলেরহাট ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত টোনা উড়িয়াপাড়া অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্র থেকে যে খিচুড়ি বিতরণ করা হয় সেটা শিশুকে খাওয়াতে গিয়েই এক ভদ্রমহিলা লক্ষ্য করেন খিচুড়িতে আলু,সোয়াবিনের সাথে একটা টিকটিকি সেদ্ধ হয়ে আছে। এটা দেখার আগেই জনা তিরিশ বাচ্ছা ও  কয়েকজন প্রসূতি মা ওই খিচুড়ি খেয়ে ফেলেন। এই খবর দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়তেই গ্রামবাসীদের আক্রোশের মুখে পড়েন কেন্দ্রের রাঁধুনি অঞ্জলি মণ্ডল।
ভাঙড় ২ ব্লকের টোনা উড়িয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যেই প্রতিদিন সকালে চলে ১৬০ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্র টি। নিজস্ব কোন বিল্ডিং বা কিচেন শেড না থাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিচেন শেডের মধ্যেই রান্না করা হয়। প্রতিদিনের মত এদিনও ওই কেন্দ্র থেকে আড়াই বছরের ছেলে নাসিম আহমেদের জন্য খিচুড়ি নিয়েছিলেন জাহানারা বিবি। বাড়িতে ছেলেকে খিচুড়ি খাওয়াতেই গিয়েই লক্ষ্য করেন তার মধ্যে একটা সিদ্ধ হওয়া টিকটিকি মরে পড়ে আছে।
খবর পেয়ে বাড়ি থেকে ছুটে আসেন অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রের কর্মী সাহিদা খাতুন। তিনি বলেন, ‘এর আগে কোন দিন এমন হয়নি।‘ তবে কেন্দ্র ছেড়ে কেন তিনি বাড়িতে ছিলেন সে ব্যপারে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে কাশীপুর থানার বড়বাবু বিশ্বজিৎ ঘোষ বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। পরে বেলা বাড়লে দেখা মেলে ভাঙড় ২ ব্লকের সিডিপিও অর্পিতা রায় সান্যাল ও যুগ্ম বিডিও পুষ্পেন দাসের।টোনা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে চিকিৎসক নবন্যা  তরাই গিয়ে অসুস্থদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন এবং সবাইকে বেশি বেশি করে জল ও ওয়ারেস খাওয়ার পরামর্শ দেন। নবন্যা  জানান, ‘ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সকলেই সুস্থ আছেন। আমরা সবাইকে অবর্জাভেশনের মধ্যে রাখছি।‘
Loading...

No comments

Powered by Blogger.