৯০০ শিশু এইডসে আক্রান্ত


পাকিস্তানে ছোট্ট একটি গ্রামের প্রায় ৯০০ শিশুর দেহে এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এসব শিশুদের অধিকাংশের বয়সই ১২ বছরের কম।
চলতি বছরের এপ্রিলে একজন স্থানীয় চিকিৎসক তার ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুদের উপসর্গ দেখে এইচআইভি পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। আর পরীক্ষায় তাদের এইচআইভি পজিটিভ ধরা পড়ে।
এজন্য মুজাফফর ঘাঙরো নামের একজন ডাক্তারকে দায়ী করছেন স্থানীয় লোকজন ও প্রশাসন। তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে শিশুদের মধ্যে এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমণের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ কারণে গ্রেফতারও করা হয় তাকে। তবে এই অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি ডাক্তার মুজাফফর ঘাঙরোর।
এইচআইভি আক্রান্ত শিশুদের অভিভাবকদের অবস্থা এখন উন্মাদপ্রায়। তাদের সন্তানরা অপুষ্টিতে ভুগছে আর ক্রমাগত কাঁদছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিনা মূল্যে এইচআইভির ওষুধ দিচ্ছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু এইচআইভির প্রভাবে শরীরে অন্য আরও অনেক রোগ দেখা দেয়। এসব রোগের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধের খরচ বহন করতে পারছে না রোগীর পরিবার।
জাতিসংঘের ২০১৯ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বে এইচআইভির ব্যাপক প্রাদুর্ভাব থাকা ১১ দেশের একটি পাকিস্তান। কিন্তু সেখানে যে পরিমাণ মানুষের এইচআইভি রয়েছে, তাদের অর্ধেকের বেশিসংখ্যক মানুষ জানেই না যে তাদের এইচআইভি পজিটিভ।
জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, ২০১০ সালের তুলনায় পাকিস্তানে বর্তমানে এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.