রাস্তায় বাড়ছে হস্তমৈথুন বুথের সংখ্যা


কর্মক্ষেত্রে চাঙ্গা রাখতে নিউইয়র্কের রাস্তায় প্রথম হস্তমৈথুন বুথ স্থাপন হয় ২০১৬ সালে। আমেরিকার সেক্স টয় কোম্পানি ‘হট অক্টোপাস’ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যনহাটনের ফুটপাথে এই বুথটি তৈরি করে। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হতে থাকে এই বুথ। বাড়তে থাকে বুথ এবং বুথ ব্যবহারকারীর সংখ্যা।
গ্লোবাল ম্যাগাজিন ‘টাইম আউট’-এর এক পরিসংখ্যান বলছে, নিউইয়র্কের ৩৯ শতাংশ মানুষ নিজেদের কর্মস্থানেই হস্তমৈথুন সারেন। অতিরিক্ত মানসিক চাপ, কাজের চাপে নিউইয়র্কের মানুষ প্রশান্তির জন্য এই হস্তমৈথুন করে থাকেন।
মূলত সেক্স টয় কোম্পানি ‘হট অক্টোপাস’ এই পরিসংখ্যানের উপর ভিত্তি করেই অফিসের বাইরে উপযুক্ত ও আরামদায়ক পরিবেশে যাতে হস্তমৈথুন করা যায় সে উদ্দেশ্যে হস্তমৈথুন বুথ স্থাপন করে। অনেকটা ওয়াইফাই বা লাইফাইয়ের আদলে হস্তমৈথুন বুথের নাম দেওয়া হয়েছে গাইফাই (GuyFi) বুথ। বুথগুলোতে ল্যাপটপ ও হাইস্পিড ইন্টারনেট কানেকশন রয়েছে। আছে আরামদায়ক চেয়ারও। রাস্তায় চলতে ফিরতে প্রস্রাব করার মতই নিউইয়র্কের মানুষ হস্তমৈথুনও করতে পারবে। এই সুবিধা কেবল পুরুষদের জন্যই। ন’টা-পাঁচটা ডিউটি করতে করতে ক্লান্ত কর্মীরা কাজের চাপে মাথাও তুলতে পারেন না অফিসে। শরীরে ধকল, মনে অশান্তি নিয়ে আর যেন পেরে উঠছেন না। তাদের জন্যই এসব হস্তমৈথুন বুথ।
শৌচালয় ব্যবহারের মতো হস্তমৈথুন বুথ ব্যবহারে কোনও খরচ অবশ্য লাগছে না। তবে উদ্যোক্তাদের আশা এই বুথগুলো কর্মক্ষেত্রে হস্তমৈথুন প্রবণতা কমাবে এবং হস্তমৈথুন বুথ ব্যবহারের পর অফিসে কাজের গতিবৃদ্ধি হয়ে প্রমোশনের পথ প্রশস্ত হলে, ব্যবহারকারীরা স্রেফ একটা ধন্যবাদ যেন জানান তাদের।
সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা বলছে, হস্তমৈথুন ডায়াবেটিস, প্রস্টেট ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। গবেষণা থেকে এও জানা গেছে, বিশ্বের ৯৪ শতাংশ পুরুষ হস্তমৈথুন করেন। এদিকে নারীদের হস্তমৈথুনের শতকরা হার ৮৫ শতাংশ।
নটিংহ্যামের ট্রেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজির অধ্যাপক মার্ক সার্জেন্ট বলেছেন, ‘আপনি যদি অফিসে প্রচুর কাজ করতে হাঁপিয়ে পড়েন তাহলে চাপমুক্তির একমাত্র পথ হস্তমৈথুন।’ 
মার্কের কথায় সহমত পোষণ করেছেন ডক্টর ক্লিফ আর্নল্ড। তিনি আবার আরও একধাপ এগিয়ে গিয়ে বলেন, ‘কাজ আরও নির্ভুল করতে হস্তমৈথুন দারুন উপযোগী।’ নিজেকে হাসিখুশি রাখতেও হস্তমৈথুন দারুন উপযোগী বলেও জানিয়েছেন তিনি।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.