অযোধ্যা মামলার রায় পরবর্তী সময়ে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে চিঠি জামায়াতের


বাবরি মসজিদ-রামজন্মভূম মামলার রায়ের আগে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা অক্ষত রাখতে সচেষ্ট হল জামায়াতে ইসলামি হিন্দ। সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বরা মঙ্গলবার এই মর্মে সাংবাদিক সম্মেলন করে সংগঠনের সহ সভাপতি মুহাম্মদ সেলিম ইঞ্জিনিয়ার বলেন,‘আমরা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, অন্য মন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চিঠি দিয়েছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা এঁদের কাছ থেকে দায়িত্বশীলতা আশা করছি। খুব শীঘ্রই আমরা মিডিয়ার কাছেও এই চিঠি প্রকাশ করব।‘
গত সপ্তাহে দিল্লিতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটি বাবরি মামলা বিষয়ে বৈঠকে বসেছিল। সেখানে যে রেজুলিউশন হয় তাতে মুসলিম পক্ষের আইনজীবীদের সওয়ালের প্রশংসা করা হয়। এই আইনজীবীরা মামলার বিভিন্ন দিক বেশ ভালােভাবেই তুলে ধরেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
রেজুলিউশনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুসলিম পক্ষের আইনজীবীরা মসজিদের স্বপক্ষে একাধিক তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষী তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে মসজিদের অধিকারের পক্ষে তথ্য সংবলিত প্রমাণও তুলে ধরেছেন তারা। যে তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষী তুলে ধরা হয়েছে তাতে বাবরি মসজিদের পক্ষেই রায় আসবে ইনশাআল্লাহ। এমনটাই মনে করছে জামায়াত।
তাঁদের বক্তব্য, এমন রায় সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। বাবরি ধ্বংসের পর ভারতীয় রাজনীতির গায়ে য়ে রুলঃ লেগেছে, তা মুছে যাবে। মুসলিমপক্ষের আইনজীবীরা এই মামলায় যে ভূমিকা পালন করেছেন, তার জন্য কেবল মুসলিমরা নন, ন্যায়পরায়ণ প্রতিটি নাগরিক তাদের কাছে ঋণী হয়ে থাকবে।
জামায়াতের কাউন্সিল মনে করে কেবল ভারত নয়, অন‍্যান‍্য দেশেরও বিশেষ নজর রয়েছে এই মামলার দিকে। কীসের ভিত্তিতে শীর্ষ আদালত এই রায় দেয়, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে গােটা বিশ্ব। ভারতীয় সংবিধানের তথ্য-প্রমাণের উপর ভিত্তি করেই কি এই রায় হবে, নাকি রায় দান হবে কেবল দাবির ভিত্তিতে? তা লেখা হয়েছে জামায়াতের রেজুলিউশনে।

Loading...

No comments

Powered by Blogger.