তীর্থ যাত্রীর ভিড় নেই দরবার সাহিবে, বাইনোকুলারেই দর্শন সারছেন ভক্তরা

Related image

গত ৯ই নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনকারী করতারপুর করিডোর। উদ্দেশ্য, শিখ তীর্থযাত্রীরা যাতে গুরু নানকের ৫৫০তম জন্মবার্ষিকীতে দরবার সাহিব গুরুদ্বারে যেতে পারেন। প্রসঙ্গত, জীবনের অন্তিম দিনগুলি দরবার সাহিবেই কাটিয়েছিলেন গুরু নানক। আশা করা হয়েছিল, প্রতিদিন অন্তত ৫ হাজার তীর্থযাত্রী এই পথে দরবার সাহিব যাবেন। কিন্তু বাস্তবে হল তার বিপরীত। সোমবার মাত্র ১৩০ জন তীর্থযাত্রী করতারপুর করিডোর পেরিয়ে পৌঁছালেন দরবার সাহিব গুরুদ্বারে। রবিবার থেকেই সাধারণ তীর্থযাত্রীদের জন্যে খুলে দেওয়া হয়েছিল করিডোর। সেদিন তীর্থযাত্রীদের সংখ্যা ছিল ২২৯। মঙ্গলবার, গুরু নানকের জন্মদিনে ৬০০ তীর্থযাত্রীর পাকিস্তান যাওয়ার কথা।
Related image
নানা নিয়মের বেড়াজাল পেরিয়ে দরবার সাহিব পৌঁছানোর থেকে বহু ভারতীয় বেছে নিলেন দর্শনের সহজ উপায়। গত ২ দিনে বাইনোকুলারের মাধ্যমে ভারতে বসেই দরবার সাহিব দর্শন সেরে ফেললেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ। সরকারি সূত্রে মত, যে সব ব্যক্তি আমেরিকা বা অন্য কোনও দেশে পড়াশোনা বা চাকরির জন্যে যেতে ইচ্ছুক, তাঁরা পাকিস্তানে যাওয়ার কোনও ডিজিটাল রেকর্ড রাখতে চান না। একই সঙ্গে মনের মধ্যে কাজ করছে দুই দেশের মধ্যে তিক্ততা। আর এই সব কিছুর সঙ্গে বাড়তি চাপ মাথা পিছু ২০ মার্কিন ডলার সার্ভিস ফি-র।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.