ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চালু হবে আরও ৬ টি হাট বর্ডার হাট

Image result for border hut

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন ও সীমান্ত এলাকায় বৈধ বাণিজ্য নিশ্চিতে যাত্রা শুরু করেছিল সীমান্ত হাট কার্যক্রম। দুই দেশের সীমান্তের ঠিক মাঝে তৈরি করা হয়েছে সীমান্ত হাটের কাঠামো। একপাশে বাংলাদেশি বিক্রেতারা বসেছেন, অন্যপাশে ভারতীয় বিক্রেতারা। হাটের আশেপাশে পাঁচ কিলোমিটার এলাকার বাসিন্দাদের স্থায়ী পরিচয়পত্র দেয়া হয়েছে। ওই পরিচয় পত্র বিজিবি ও বিএসএফকে দেখিয়ে তাঁরা সহজেই হাটে যেতে পারেন। তবে অন্যদেরও সাময়িক পাস নিয়ে হাটে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। প্রতিটি হাটে টাকা ও রূপি, দুই মুদ্রাতেই লেনদেন হয়। দুদেশের সীমান্ত এলাকার মানুষজন প্রতি সপ্তাহে অন্যদেশের পণ্য কেনার সুযোগ পান। সপ্তাহে মাত্র একদিন বর্ডার হাট সরগরম হয়ে ওঠে।

Related image

দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় ২০১১ সালে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার বালিয়ামারি সীমান্তে প্রথম সীমান্ত হাট চালুর পর ২০১২ সালের ১ মে সুনামগঞ্জের ডলুরায় চালু হয় দ্বিতীয় সীমান্ত হাট। ২০১৫ সালের ২০ জানুয়ারি ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার পূর্ব মধুগ্রাম ও ছয়ঘরিয়ার মধ্যবর্তীস্থানে চালু হয় তৃতীয় সীমান্ত হাট এবং একই বছরের ৬ জুন বাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার তারাপুর সীমান্তে স্থাপিত হয়ে চতুর্থ সীমান্ত হাট। তবে আরও ৬টি হাট চালুর বিষয় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। উভয় দেশের ৫০ জন বিক্রেতা এই হাটে ব্যবসা পরিচালনা করেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে হাট ব্যবস্থাপনা কমিটি অনুমোদিত বিক্রেতাদের তালিকা সংরক্ষণ করেন। হাটে উভয় দেশের দু’পাশে দুটি প্রবেশ পথ থাকে। এছাড়া হাটের সীমানা কাটাতারের প্রাচীর দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়। হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের ছবি সম্বলিত পরিচয়পত্র বহন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অনুমোদিত ফরম্যাটে পরিচয়পত্র ইস্যু করেন। সীমান্ত হাটে স্থানীয় মুদ্রায় অথবা বার্টার পদ্ধতিতে পণ্য বিনিময় করা হয়। সীমান্ত হাটে প্রত্যেক ক্রেতা প্রতি হাটে ২০০ ডলারের সমমূল্যের পণ্য স্থানীয় মুদ্রায় ক্রয় করতে পারেন।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.