ভিলেজ পুলিশের হাতে শারীরিক নিগ্রহের শিকার কলকাতা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী!



প্রতারণার অভিযোগ জানাতে গিয়ে থানার ভিতর আইসি এর ঘরের সামনে ভিলেজ পুলিশের হাতে শারীরিক নিগ্রহের শিকার কলকাতা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী গৌতম বল্লভ।মারের হাত থেকে দাদাকে বাঁচাতে এসে আক্রান্ত হন ভাই পেশায় উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক নরোত্তম বল্লভও।বুধবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার চাকদহ থানায়।সূত্রের খবর,নদীয়ার চাকদহ পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ঘোষ পাড়ার বাসিন্দা পেশায় অবসরপ্রাপ্ত কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল গৌতম বল্লভ গত মঙ্গলবার চাকদহ থানায় তার এক প্রতিবেশী দম্পতির বিরুদ্ধে লক্ষাধিক টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ জানাতে যান।অভিযোগ,চাকদহ থানার আই সি এর সাথে গৌতম বল্লভ দেখা করতে চাইলে আইসি বেস্ত আছে জানিয়ে তাকে বুধবার যেতে বলা হয়।অভিযোগ,সেই মতন বুধবার সকাল ৯ টার সময় গৌতম বাবু থানায় আইসি এর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাকে অপেক্ষা করতে বলা হয়।অভিযোগ,সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর শারীরিক ভাবে অসুস্থ বোধ করতে থাকেন গৌতম বাবু।এর পর দাদার অসুস্থ্যতার তার খবর পেয়ে স্কুল থেকে ছুটি নিয়ে থানায় আসেন চাকদহের ঘুগিয়া ভুবনমহিনী উচ্চ বিদ্যালয়ের বাংলার শিক্ষক নরোত্তম বল্লভ।অভিযোগ,এর পরও প্রায় এক ঘন্টা অপেক্ষা করার পর আইসি এর ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা জনৈক এক ভিলেজ পুলিশ কর্মী (পার্থ বসু) কে আইসি এর সাথে দেখা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য  অনুরোধ করলে প্রথমে সে দুর্ব্যবহার করেন।অভিযোগ,এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে হঠাৎই ওই ভিলেজ পুলিশ কর্মী গৌতম বল্লভের ওপর চড়াও হয় ও মারধর করে।অভিযোগ,দাদাকে বাঁচাতে এলে ভাই নরোত্তম বল্লভকেও মারধর করে ওই ভিলেজ পুলিশ কর্মী।পরে থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মীরা এসে দুই ভাইকে মারের হাত থেকে বাঁচান।এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েন ষাটোর্ধ গৌতম বল্লভ।তাকে চাকদহ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।পরে এই ঘটনার প্রতিবাদে ওই ভিলেজ পুলিশের বিরুদ্ধে চাকদহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গৌতম বল্লভ।অন্যদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার রাতে চাকদহ থানায় ডেপুটেশন জমা দেন শিক্ষকসংগঠন।তবে লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও এখনো ওই অভিযুক্ত ভিলেজ পুলিশ কে গ্রেফতার করেনি চাকদহ থানার পুলিশ।এই রকম একটি ঘটনার পর সাধারণ নাগরিকের প্রতি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.