ব্যাক্তির রহস্যমৃত্যু ,রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য



মৃন্ময় নস্কর, দঃ২৪ পরগনা : দোতলা ঘরের মেঝে থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হল। মৃতর নাম শঙ্কর পাল(৪৫)। কপালের ডানদিকে আঘাতের চিহ্ন আছে। ঘটনাটি ঘটে শনিবার সকালে বারুইপুর থানার চম্পাহাটি গায়েন পাড়ায়। এই মৃত্যু কে ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। কি ভাবে মেঝেতে রক্তাক্ত দেহ পাওয়া গেল তা নিয়ে পরিবার বা এলাকার লোকজন সঠিক কিছু বলতে পারেনি। এদিন সকালে শঙ্কর বাবুর স্ত্রী রিতা পাল স্বামীকে কাজে যাবার জন্য ঘরে ডাকতে গিয়ে দেখেন ঘরের দরজা খোলা ,ভিতরে গিয়ে দেখেন স্বামীর পা খাটের তলায় আর বাকি দেহ রক্তাক্ত অবস্তায় মেঝেতে রয়েছে।  এরপরেই এলাকার লোকজনদের ডাকাডাকি করেন তিনি। এলাকার লোকজন এসে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে এলেও শেষ রক্ষা হয়নি।বারুইপুর থানার পুলিস দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। যদিও বারুইপুর থানায় স্ত্রী রিতা পাল কোন অভিযোগ দায়ের করেনি। চম্পাহাটি গায়েন পাড়ায় দোতলা বাড়ি তাঁদের। তাঁদের ৮ বছরের ছেলে আছে। শঙ্করবাবুর চম্পাহাটি ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে টেলারিং এর দোকান আছে পাশাপাশি গ্যাসের গোডাউনে কাজ করতেন। স্ত্রানিয় বাসিন্দা বাবু সোনা হালদার বলেন,সকালে ফোন পেয়ে বাড়িতে গিয়ে দেখি দোতলা ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্তায় শঙ্কর বাবু পড়ে আছেন। উনি মদ্যপান করতেন তার জেরে স্ত্রীর সাথে অশান্তি হত। ওনার স্ত্রী আমাদের বলেন শঙ্কর বাবু আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন। দড়ি ছিঁড়ে নিচে পড়ে মাথায় আঘাত লাগে তার জেরে মৃত্যু হয়। যদিও তাঁর আত্মীয় উত্তম কর্মকার বলেন, কি ভাবে মারা গিয়েছে বলতে পারছি না। দশদিন আগে স্ত্রীর সাথে অশান্তি হয়েছিল। শঙ্করবাবুর টেলারিং দোকান চলছিল না। আর স্ত্রী বাজির পলতে তৈরি করে সংসার চালাত। কিন্তু শঙ্কর বাবু সেই পয়সা নিয়ে নিতেন মারধোর করতেন। এই নিয়ে অশান্তি হত। বারুইপুর থানার পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরই আসল কারন জানা যাবে বলে পুলিস জানিয়েছে।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.