দিদিকে বলো কর্মসূচিতে নতুন কায়দা কাইজারের


ভাঙড় : দিদিকে বলো’ কর্মসূচিতে সফল করতে গিয়ে এক দরিদ্র মানুষের বাড়িতে রাত্রি যাপন তৃণমূল নেতার। পাত পেরে ডাল ভাত খাওয়ার পাশাপাশি পাড়া পরিস্কার করাতেও  হাত লাগালেন ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ। এ বিষয়ে কাইজার আহমেদ বলেন, "দিদিকে বলো কর্মসূচি মানুষের সঙ্গে জনসংযোগের একটা বড়ো প্লাটফর্ম।এখানে মানুষ সরাসরি তাদের অভাব অভিযোগের কথা মন খুলে বলতে পারে।"ভাঙড়ের জাঙ্গুলগাছি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাগানআইট গ্রামে দিদি কে বলো কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন ভাঙড় ১ এ নং ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কাইজার আহমেদ। তাঁকে  সাদরে বরণ করে নেন গ্রামবাসীরা। কাইজার কে মঞ্চে বসিয়ে একে একে গ্রামের সমস্যা সহ অভাব অভিযোগ এর কথা বলতে থাকেন আট থেকে আশি।



কেউ বলেন আমার একটা ঘর দিতে হবে তো  আবার কারো একটি ত্রিপোলের দাবি। গ্রামবাসীদের দাবিদাওয়াও এমনকি কিছু সমস্যা সিনেমার নায়কদের মতন তৎক্ষণাৎ সমাধান করে দেন কাইজার সাহেব। দলীয় কর্মীদের নিয়ে গ্রাম ঘুরে দেখার পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে গিয়েও কথা বলেন। ভাঙড়ে নিজের বিলাসবহুল বাড়ি ছেড়ে দরমার বেড়া দেওয়া গরীবের বাড়িতে স্বাচ্ছন্দ্যেই সময় কাটান কাইজার এর পাশাপাশি পাত পেরে ডাল ভাত সহযোগে মধ্যান্ন ভোজ সারেন। বরাবরই তিনি এলাকার ভোটারদের কাছে 'কাছের মানুষ'। উচ্চ শিক্ষিত নিপাট ভদ্রলোক বলে পরিচিত কাইজার তাই তাঁকে কাছে পেয়ে উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন গ্রামের বাসিন্দারা। 
দিদিকে বলো কর্মসূচি সফল করতে গ্রামে রাত্রিযাপন এর পাশাপাশি সাত সকালে ব্লিচিং পাউডার নিয়ে পাড়া পরিস্কার করতে নেমে পড়েন কাইজার। কাইজারের সঙ্গে পাড়া পরিস্কার করতে হাত লাগান এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব সহ দলীয় কর্মীরা। এ বিষয়ে কাইজার বলেন, "ডেঙ্গু নিয়ে মানুষ আতঙ্কিত, তাই পাড়া পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য দিদি কে বলো কর্মসূচির শেষে আমি নিজে পাড়া পরিস্কার করতে উদ্যোগী হই এবং নিজে ব্লিচিং ছড়িয়ে মানুষ কে সচেতন করি যাতে গ্রামের মানুষ নিজেরাই এলাকা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য উদ্যোগী হয়।" 
Loading...

No comments

Powered by Blogger.