গাইড ম্যাপের উদ্বোধনের সঙ্গে জগদ্ধাত্রী পুজোর ঢাকে কাঠি



  মৌমিতা সিনহা,হুগলী:   হৈমন্তিক আরাধনায়  জগদ্ধাত্রীর তিন শহরকে  নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলার উদ্যোগ নিল চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট। চতুর্থীর সন্ধ্যায় চন্দননগর পুলিশ  কমিশনারেটের উদ্যোগে চন্দননগরের স্ট্যান্ড ঘাটে  এক সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেন ও তপন দাশগুপ্ত।ছিলেন চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবীর, চন্দননগর কর্পোরেশনের কমিশনার স্বপন কুন্ডু ও পুলিশ প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিক রা।

 চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের এবারের জগদ্ধাত্রী পুজো পরিকল্পনায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হচ্ছে। জগদ্ধাত্রী পুজোর  পাঁচদিন চন্দননগর, মানকুন্ডু ও ভদ্রেশ্বরের নিরাপত্তার জন্যে প্রায় হাজারের ও  বেশী পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মধ্যে ১হাজার হোমগার্ড ,এএসপি পদ মর্জাদার ৬ জন ,ইনেপেক্টর পদ মর্জাদার মোট ২৫ জন পুলিশ অফিসার দায়িত্বে থাকছেন। মহিলা পুলিশ কর্মী থাকছেন ৫০০ জন। রাস্তাঘাটে মহিলাদের নিরাপত্তায় সাদা পোষাকে মহিলা পুলিশ কর্মী থাকছেন ২০০ জন। জল পথে নজরদারি চালানোর জন্যে ৫টি লঞ্চের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। শহরের ঢোকা এবং বেরোনোর মুখে থাকছে  নো এন্ট্রি পয়েন্ট। শুক্রবার থেকেই চালু হচ্ছে সেই নিয়ম বিধি। বিকেল ৫টা থেকে পরদিন ভোর ৪টা পর্যন্ত চন্দননগর শহর জুড়ে থাকবে এই নো-এন্ট্রি। বিভিন্ন গঙ্গার ঘাটেও চলবে পুলিশের নজরদারি। থাকছে  চারটি ড্রোনের নজরদারী। পুরো শহরের  নজরদারির জন্যে শহর জুড়ে ২০০ সি সি টিভি ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে। আগুনের মত দূর্ঘটনা থেকে সতর্কতার জন্য শহরের ছয়টি জায়গায় ফায়ার ব্রিগেডের পয়েন্ট করা হচ্ছে। তিনটি শহরের রেল স্টেশন চত্বরে ও থাকবে পুলিশি নজর।  শহরের বিভিন্ন জায়গায় থাকছে মেডিক্যাল টিম।
চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবীর বলেন, পুজোর দিন গুলিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হবে তিন শহরে। মানুষের নিরাপত্তার জন্যই এই ব্যবস্থা।

এবার ই প্রথম দর্শনার্থীদের জন্য পুলিসের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে খাবার জল,চা ও ছোটদের লজেন্স বিনা খরচে বিলি করা হবে।প্রবীন মানুষদের জন্য তৈরী স্পর্শ অ্যপসের মাধ্যমে পুজোর মন্ডপ ঘুরিয়ে দেখাবে পুলিশ। মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত বলেন, শান্তি পূর্ন ভাবে দুর্গা পুজা করে বাংলার মানুষ প্রমান করেছে তারা হিংসা চায়না। জগদ্ধাত্রী পুজোতে ও চন্দননগরের মানুষ সেই শান্তির পরম্পরা বজায় রাখবেন। মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন বলেন, গোটা বিশ্বের মানুষ চন্দনগরের ঐতিহ্যপূর্ণ জগদ্ধাত্রী পুজোর দিকে তাকিয়ে থাকে। প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা কেউ ঘরে বসে কেউ এখানে এসে ঠাকুর দেখেন। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় শান্তিপূর্ন উৎসবের জন্য সব কিছুর ব্যবস্থা করেছেন।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.