ব্যর্থতাকে ভয় পাই, হারতে ঘৃণা করি : কোহলি



ব্যর্থতাকে ভয় পাই, হারতে ঘৃণা করি : কোহলি 

ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই সমান দক্ষ, গড়টাও তাই সব ফরম্যাটে পঞ্চাশের ওপরে। মাত্র ৩১ বছর বয়সেই করে ফেলেছেন ৭০টি সেঞ্চুরি! ব্যাট হাতে তার পরিসংখ্যান ক্রিকেট মাঠে এখচ্ছত্র আধিপত্যেরই সাক্ষ্য দেয়। নিঃসন্দেহে বিশ্ব ক্রিকেটে বর্তমান সময়ের সেরা ব্যাটসম্যান ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। 

ভারতবাসীর প্রত্যাশার চাপ সবসময়ই থাকে কোহলির কাঁধে। একইসঙ্গে থাকে তাদের প্রত্যাশা মেটাতে না পারার অপ্রকাশিত ভয়টাও। প্রায় ১১ বছরের ক্যারিয়ারে এমন সময় খুব কমই এসেছে, যেখানে কোহলি পারেননি দল ও দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে।

তবু এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলো ২০১৪ সালের ইংল্যান্ড সফর ও চলতি বছরে ইংল্যান্ডের মাটিতে হওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। দুইবারই ব্যর্থ হয়েছেন কোহলি। নিউজিল্যান্ডকে বাগে পেয়েও সেমিফাইনাল জেতা হয়নি ভারতের। আর বছর পাঁচেক আগে তো ক্যারিয়ারেরই সবচেয়ে বাজে সময় কেটেছে কোহলির।

এসব ব্যর্থতা কি ছুঁয়ে যায় না তাকে ? হতাশ হন না ব্যর্থ হলে ? উত্তর দিয়েছেন কোহলি নিজেই। জানিয়েছেন, ব্যর্থতাকে ভয় পান, ঘৃণা করেন হেরে যেতে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ব্যর্থতা আমাকে গ্রাস করে কি না ? হ্যাঁ, অবশ্যই করে। সবাইকেই করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দিন শেষে আমি জানি যে দলের আমাকে প্রয়োজন। সেমিফাইনাল ম্যাচটাতে আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিলো আমি নটআউট থেকে ম্যাচ জিতিয়ে আসতে পারো। আবার এটাও হতে পারে যে আত্মবিশ্বাসের বদলে আমার ইগো হয়তো এটা বলছিল, কারণ এমন গুরুত্বপূর্ণ এই ভাবনা আসে কীভাবে! আপনি যেকোনো কিছু পাওয়ার জন্য তীব্র বাসনা ও ইচ্ছার প্রয়োজন।’

এসময় কোহলি জানান, নিজে ভালো খেলার তাড়না পান হারতে ঘৃণা করার মন্ত্র থেকেই। এছাড়া তারা বর্তমানে ভালো খেললে, ভবিষ্যত প্রজন্ম এ ধারাটা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবে।

কোহলি বলেন, ‘আমি হারতে ভয় পাই। আমি কখনোই ড্রেসিংরুমে ফিরে বলতে চাই না যে, এটা তো আমি করতে পারতাম। আমি যখন মাঠে নামি, এটাই আমার কাছে সুযোগ। আমি যখন ফিরে আসি, চাই যেনো শরীরে আর কোনো শক্তি বাকি না থাকে। আমরা একটা ধারা শুরু করে দিতে চাই, একটা উদাহরণ দাঁড় করাতে চাই। যাতে করে ভবিষ্যতে তরুণ ক্রিকেটাররা বুঝতে পারে যে, তাদের এভাবে খেলা উচিৎ।’

Loading...

No comments

Powered by Blogger.