ছট পুজো উপলক্ষে কুলো ডালা তৈরী ক্রতে ব্যস্ত বৈশ্য পরিবার



রেখা জয়সয়াল,উঃদিনাজপুরঃ    হাতে আর সময় নেই বল্লেই চলে শ্যামা পূজার রেশ কাটতে না কাটতেই আগামী শনিবার মেতে উঠবে হিন্দী ভার্ষী মানুষেরা ছট পুজায়। তাই এখোন বৈশ্য পারায় শেষ মূহুর্তের বস্ততা তুঙ্গে বাঁশ দিয়ে তৈরি করা ডালি ও কুলা বানাতে।  বাঙালীর প্রধান উৎসব দূর্গাপূজো ও শ্যামা পূজার মতো হিন্দী ভার্ষী  সম্প্রদায়ের মানুষদের প্রধান উৎসব হল ছট পূজা। বর্তমানে এই ব্রত হিন্দী ভার্ষী সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ আর নেই । এখন আপাময় বাঙালী সহ মাড়োয়ারী,নেপালী  সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষেরা নিজেদের পরিবারের মঙ্গল কামানায় এই পূজায় ব্রতি হন । ভাগবত পুরান, রামায়ন, মহাভারতের মতো বিভিন্ন গ্রন্থে সূর্যের উপাসনায় উল্লেখ পাওয়া যায়। আর বিভভ মতে ছট হলো ষষ্টির অপভ্রংশ। কার্তিক মাসের আমাবষ্যার পরে ষষ্টিতে ছট পূজার ব্রত পালন করা হয়। আরেক মতে সুর্য আর ষষ্টি হল ভাই বোন। সেই কারনেই ছটকে ছট্টি মাইয়া বলা হয়। এই পুজো করা হয় বিকালের ঘাটে যাওয়া  সূর্য ও পরের দিন উদিও মান সূর্যকে। এই ছট পূজার প্রধান উপকরনের মধ্যে অন্যতম হল  প্রধান বাশের তৈরী উপাচার সাজানোর কুলা ও ডালা। আর সেই কারনে  উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের অনন্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের  বৈশ্য পাড়ার শিল্পীদের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। বড় থেকে ছোট মহিলা পূরুষ সকলে মিলে কুলো ও ডালা বানাতে ব্যস্ত। সারা বছর বিভিন্ন ধররনের কাজ করলেও একটু বেশি উপার্যনের আশায় বছরের কয়েকটি দিন কুলা ও ডালা তৈরী করেন গ্রামের বেশির ভাগ পরিবারের লোকেরা। সুধু কালিয়াগঞ্জের হাটে বাজারেই সীমাবদ্ধ নেই। বৈশ্য পারার শিল্পীদের হাতের তৈরী কুলা ও ডালা পাড়ি দিচ্ছে পাশের রাজ্য বিহার ছাড়া পাশের জেলা গুলিতেও।এই কাজ তাঁদের হাতের তৈরী সামগ্রী খোলা বাজারে কুলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও ডালা ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে  বিক্রি হয়। কিছু ক্ষেত্রে পাইকারেরা নিয়ে যায়  । বাবা মা কে একটু বেশি ফুনাফা লাভ করে, সে কারনে পড়া শুনার ফাকে হাত বাড়িয়ে দেয় স্কুল,কলেজের পড়ুয়ারাও। সারা বছর অন্যান্য  কাজ করলেও ছট পূজার সময়ে একটু বেশি মুনাফা লাভের আশায় পরিবারের সকলে মিলে কুলা ডালা বানান বলে জানান পবিত্র বৈশ্য, মনিকা বৈশ্য, বিশ্বজিত বৈশ্যরা।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.