আজব পোশাক বর্জ্য দিয়ে!


বিচিত্র দুনিয়া আর আজব মানুষ। মানুষের খেয়ালেও নেই কোনো সীমা পরিসীমা। কার মনে কখন যে কোন খেয়াল জাগে তা কেইবা বলতে পারে!

বিচিত্র দুনিয়া আর আজব মানুষ। মানুষের খেয়ালেও নেই কোনো সীমা পরিসীমা। কার মনে কখন যে কোন খেয়াল জাগে তা কেইবা বলতে পারে! এমনই এক খেয়ালি আজব মানুষের নাম রব গ্রিনফিল্ড।

নিউইয়র্ক সিটির বাসিন্দা এই আমেরিকানের মনে জেগেছে এমন এক খেয়াল যা এর আগে কারো মধ্যে দেখা যায়নি। এই লোক ঘোষণা দেন যে, তিনি তৈরি করবেন এক অভিনব প্ল্যাস্টিকের পোশাক। ৩০ দিনে তার বাড়িতে যতো ময়লা-আবর্জনা জমেছে তার সবই থাকবে তার এই পোশাকের মধ্যে। মানে ময়লা-আবর্জনাই হবে তার পোশাক তৈরির উপাদান। যেমন ভাবা তেমন কাজ।

এরই মধ্যে তিনি সেই পোশাক তৈরি করে ফেলেছেন। এ ব্যাপারে খবরের শিরোনাম: ‘‘ Man promises to wear all of the trash he produces for 30 days.’’

গ্রিন ফিল্ড মূলত একজন পরিবেশকর্মী। মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করার জন্যই তার এই অভিনব উদ্যোগ। ময়লা-আবর্জনা দিয়ে তৈরি পোশাক গায়ে দিয়ে তিনি যখন আনুষ্ঠানিকভাবে জনসমক্ষে হাজির হবেন তখন এর উপর নির্মাণ  করা হবে ভিডিও তথ্যচিত্র (ডকুমেন্টারি)। তৈরি করা হবে লাইভস্ট্রিম এবং ব্লগ। আর গ্রিনফিল্ড এই আজব পোশাক পরে ঘুরে বেড়াবেন নিউইয়র্ক শহরের অলিগলিতে। একজন ক্যামেরা ক্রু সর্বক্ষণ তার সঙ্গী হবেন। 

গ্রিন ফিল্ডের মতে, একজন গড়পড়তা আমেরিকান প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার পাউন্ড বর্জ্য তৈরি করেন।যার পরিমাণ মাসে ১৩৫ পাউন্ড। সে কারণে তার বর্জ্য-পোশাকটিও হবে ১৩৫ পাউন্ড বর্জ্যের সমাহার।

"নিজেদের তৈরি করা বর্জ্যের ব্যাপারে বেশিরভাগ লোকের কোনো ধারণাই নেই, চিন্তাভাবনাও নেই।

গারবেজ ক্যানে ময়লা ফেলার পর সে ময়লার কথা আর কারো মনেই থাকে না। চোখের আড়াল মানে মনের আড়াল।আমি চাই, নিজেদের তৈরি ময়লা সম্বন্ধে মানুষ যাতে সঠিক ধারণা পায়।’’—গ্রিনফিল্ডের নিজের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে এসব কথা। 

এ সংক্রান্ত খবরে বলা হয়, " মানুষকে তাদের জীবনধারায় পরিবর্তন আনার জন্য শিক্ষিত ও পরিবেশ সচেতন করে করে তুলতে রব গ্রিনফিল্ড নিজেকে একটি চলমান বিলবোর্ডে পরিণত করবেন।


Loading...

No comments

Powered by Blogger.