পুজোর পর পায়ের যত্ন নিন


সদ্য শেষ হলো দুর্গাপুজা। যাঁরা পুজোর প্রতিদিন মণ্ডপে মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছেন, তাঁদের পায়ের অবস্থা নিশ্চয়ই বেহাল! কারও পায়ে ফোসকা, কারও গোড়ালিতে অসহ্য ব্যথা, কারও আবার পেডিকিওর করা পায়ের নখ ভেঙে যাচ্ছেতাই ব্যাপার! কীভাবে হাল ফেরাবেন পায়ের? রইল কিছু জরুরি টিপস!  
পায়ের বিশ্রাম জরুরি
যাঁরা পুজোর ক’দিন স্টাইলের খাতিরে হাই হিল বা ব্লক হিলের জুতো পরেছেন, তাঁদের পায়ে ব্যথা হতে বাধ্য! ফলে ক’টা দিন হাঁটাহাঁটি কম করে পাকে সম্পূর্ণ বিশ্রাম দিতে পারলে ভালো! সবরকমের হিল জুতো এড়িয়ে চলুন সামনের দিনগুলোয়। আরামদায়ক, কুশন দেওয়া ফ্ল্যাট জুতো পরলে পায়ের উপর অনর্থক জোর পড়বে না। 
ব্যথা কমানোর উপায়
গামলায় গরম জল নিয়ে তাতে খানিকটা এপসম সল্ট ফেলে দিন। যে কোনও ওষুধের দোকানে এপসম সল্ট পেয়ে যাবেন। এই জলে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন, যতক্ষণ না জলের গরমভাব কমে আসে। এপসম সল্ট পায়ের ব্যথা কমাতে বিশেষ কার্যকর। পা মুছে ময়শ্চারাইজ়ার বা ফুট ক্রিম মেখে নেবেন।
ফুট মাসাজ নিন
সপ্তাহে একবার করে ফুট মাসাজ নিতে পারলে খুব ভাল হয়। এতে একদিকে যেমন পেশি শিথিল হয়ে পায়ের ব্যথায় আরাম হবে, তেমনি পায়ে রক্ত সংবহন বাড়বে। অলিভ অয়েল বা কোনও বডি ক্রিম পায়ে লাগিয়ে ধীরে ধীরে মিনিট কুড়ি মাসাজ করুন, পায়ের ক্লান্তি কেটে যাবে অনেকটাই।
সমস্যা যখন ফোসকা
ফোসকা পড়ে পায়ের অবস্থা নাজেহাল? ফোসকা সামলাতে প্রথমত, এমন জুতো পরুন যাতে ফোসকার জায়গাটায় নতুন করে কোনওরকম চাপ না পড়ে। পা খোলা জুতো পরতে পারলে সবচেয়ে ভালো। রাস্তায় বেরোনোর সময় ফোসকার জায়গাটা ব্যান্ড-এড দিয়ে ঢেকে রাখুন, তাতে ধুলো লাগবে না। বাড়িতে থাকলে জায়গাটা হালকা গরম জলে পরিষ্কার করে যে কোনও অ্যান্টি সেপটিক ক্রিম লাগিয়ে নিন। কয়েকদিনের মধ্যেই ফোসকা শুকিয়ে যাবে।

পেডিকিওর করান 
পুজোয় হাঁটাহাঁটির কারণে শুধু যে পায়ে ব্যথা হয় তাই নয়, রাস্তার ধুলোময়লা পায়ে লেগে ত্বকের অবস্থাও খারাপ হয়ে যায়। তাই এই সময়টায় একটা পেডিকিওর করানো খুব দরকার। পেডিকিওরের ফলে পায়ে বা গোড়ালিতে জমে যাওয়া মৃত কোষ ও ধুলোময়লা উঠে গিয়ে পা ঝকঝকে মসৃণ হয়ে উঠবে, নখের চলটা উঠে গিয়ে থাকলে সে সবও ঠিক হয়ে যাবে। এই সময়টা নেল পলিশ লাগানোর দরকার নেই। বরং নখকে খোলা বাতাসে শ্বাস নিতে দিন, তাতে নখের স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে।

Loading...

No comments

Powered by Blogger.