রান্নাঘর থেকে উদ্ধার হলো ৫৫ কোটি মূল্যের ছবি!



 শিল্পকর্ম ভালোবাসেন না এমন মানুষ নেই বললেই চলে।অনেকেই দেয়ালে বিভিন্ন পেইন্টিং, তৈলচিত্র ঝুলিয়ে ঘরের শোভা বৃদ্ধি করেন। কেউ কেউ তো রান্নাঘরেও ছবি টানিয়ে রাখেন।তেমনই ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের কাছাকাছি শহর কম্পিনে এক বয়োবৃদ্ধ নারী তার রান্নাঘরে একটি ছবি ঝুলিয়ে রেখেছিলেন।ছবিটি পুরনো আর তেমন চাকচিক্যময় নয় বলে ড্রয়িংরুমে স্থান পায়নি ছবিটি।ছবিটি কোনো প্রাচীন ধর্মীয় দেবতার বলে সব সময় ভেবে আসছিলেন তিনি।
কিন্তু বড়রকমের ভুল বলে সব সময় ভেবে আসছিলেন তিনি।অনেকেই দেয়ালে বিভিন্ন পেইন্টিং, তৈলচিত্র ঝুলিয়ে ঘরের শোভা বৃদ্ধি করেন। কেউ কেউ তো রান্নাঘরেও ছবি টানিয়ে রাখেন।তেমনই ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের কাছাকাছি শহর কম্পিনে এক বয়োবৃদ্ধ নারী তার রান্নাঘরে একটি ছবি ঝুলিয়ে রেখেছিলেন।
ছবিটি পুরনো আর তেমন চাকচিক্যময় নয় বলে ড্রয়িংরুমে স্থান পায়নি ছবিটি।বিটি কোনো প্রাচীন ধর্মীয় দেবতার বলে সব সময় ভেবে আসছিলেন তিনি।
কিন্তু বড়রকমের ভুল ভেবে আসছিলেন তিনি। ভাগ্যক্রমে ছবিটি দেখতে পান এক চিত্রকর্ম বিশেষজ্ঞ। জানা যায় ছবিটির আসল রহস্য।
তিনি বলেন, রান্নাঘরে ঝোলানোর ছবিতো নয়ই; এটি মহামূল্যবান এক ঐতিহাসিক চিত্রকর্ম। ত্রয়োদশ শতাব্দীর বিখ্যাত এক চিত্রকর্ম এটি।ঘটনার বিবৃতি দিয়ে বিবিসি জানায়, ঐতিহাসিক এই চিত্রকর্মের নাম ‘ক্রাইস্ট মকড’। ছবিটি নিয়ে ইতিমধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার করেছেন গবেষকরা।
তারা নিশ্চিত হয়েছেন, চিত্রকর্মটি রেনেসাঁ যুগের ইতালির বিখ্যাত চিত্রশিল্পী সিমাবুয়ের আঁকা। সে সময় এমন কয়েকটি এঁকেছিলেন সিমাবুয়ে। ধারাবাহিক সেসব চিত্রকর্মগুলোর মধ্যে এটি একটি। রান্নাঘরে রাখা হলেও চিত্রকর্মটিতে কোনো ধরনের বিকৃতি আসেনি বলে সুখবর দেন বিশেষজ্ঞরা।
ছবিটির বিষয়ে চিত্রকলা বিশেষজ্ঞ এরিক টারকিনের বক্তব্য নিয়েছে ফ্রেঞ্চ পত্রিকা লে ফিগারো। সেখানে তিনি বলেছেন, বৃদ্ধার রান্নাঘর থেকে পাওয়া ওই ছবিটি যে সিমাবুয়েরই আঁকা, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই আমার। কাঠের ওপর আঁকা সিমাবুয়ের এ ধরনের চিত্রকর্মের পেছনের অংশটা সাধারণত সোনার পাত দিয়ে মুড়ে দেয়া হতো। এছবিতে তেমনটাই রয়েছে।
বিবিসি আরও জানায়, আগামী ২৭ অক্টোবর প্যারিসে ছবিটি নিলামে তোলা হবে। আর নিলামে ছবিটির দাম সর্বোচ্চ ৬ মিলিয়ন ইউরো পর্যন্ত উঠতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা! অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫৫ কোটি টাকারও বেশি।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.