পয়লা বৈশাখের ভুড়িভোজের সুস্থ থাকার টিপস


পয়লা বৈশাখ মানেই ভুড়িভোজ। একদিন খাওয়া, দাওয়ার বাঁধ মানে না বাঙালির। বছরের প্রথম দিনটা নতুন জামাকাপড় পরে, পেটপুরে খেয়ে, পরিবারের সঙ্গে কাটাতেই ভালবাসে বাঙালি। তবে একে অতিরিক্ত ভোজন, তারওপর হাসফাঁস গরম। ফলে পরদিন শরীর খারাপ, পেট খারাপ নিয়ে নাজেহাল হওয়াও বাঙালির রুটিনের মধ্যেই পড়ে। জেনে নিন পরদিন ঠিক কীভাবে খেলে, কী করলে সহজেই কাটিয়ে উঠবেন শরীর খারাপের সম্ভাবনা।
ব্রেকফাস্ট খান-
আগের দিন রাতে ভারী খাবার খেলে অনেকেই পরদিন সকালে ব্রেকফাস্ট বাদ দিতে চান। এমনটা ভুলেও করবেন না। এতে শরীরের স্বাভাবিক হজম ক্ষমতা বাধা পায়। ফলে শরীর আরও খারাপ হতে থাকে। তাই পেট যতই ভরা লাগুক সকালে উঠে প্রতিদিনের মতোই ব্রেকফাস্ট খান। তবে লুচি, পরোটা জাতীয় কিছু না খেয়ে ওটস, আটার রুটি জাতীয় খাবার দিয়ে ব্রেকফাস্ট সারুন।
জল-
বেশি খাওয়া হয়ে গেলে পরদিন শরীর হাইড্রেট করা অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সারাদিন জল খেতে থাকুন। সারাদিনে ৩ থেকে ৫ লিটার জল যদি খেতে পারেন তাহলেই দেখবেন খাবার হজম হয়ে শরীর ঝরঝরে লাগবে। স্বাভাবিক খিদে বোধও ফিরে আসবে।
দুপুরে সালাড-
সারাদিন ভারী, তেল জাতীয় খাবার খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় ফাইবার পৌঁছয় না। পরদিন তাই শরীরের সমতা ফিরিয়ে আনতে দুপুরে ভাতের বদলে শুধু সালাড খান। এতে হজম ভাল হবে। শরীর ঝরঝরে লাগবে।
সন্ধে বেলা স্ন্যাকস খান-
যদি মনে হয় আগের দিন খাওয়ার পর হজমের সমস্যা হচ্ছে তাহলে পরদিন শরীরের স্বাভাবিক হজম ক্ষমতা বজায় রাখা খুব জরুরি। তার জন্য প্রয়োজন সারাদিন ঠিকঠাক খাওয়া দাওয়া করা। তাই পেট ভরা লাগলেও বিকেলে কিছু অন্তত খান। এক টুকরো ফল বা একমুঠো বাদাম খেলেও শরীরের হজম ক্ষমতা বজায় থাকবে।
রাতে বাড়ির খাবার খান-
যদি পয়লা বৈশাখের পরদিনও নেমন্তন্ন থাকে তাহলে চেষ্টা করুন খাওয়া এড়িয়ে যেতে। বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে কোথাও খেতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে তা বাতিল করে তাদের বাড়িতে ডেকে নিতে পারেন। বাড়িতে তৈরি হালকা খাবার খেয়ে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ুন। রাতে ভাল ঘুম হলেই দেখবেন পরদিন সকালে একেবারে সুস্থ লাগবে।



Bengali Movie Air Hostess

Loading...

No comments

Powered by Blogger.