৭২ জন অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভ



রাজা সেখ,নদীয়া: প্রায় ৯ বছরের পুরানো ৭২ জন অস্থায়ী কর্মীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বুধবার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় তাদের আশ্বস্ত করে জানায় এক সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সদর্থক ব্যবস্থা নেবে। এরপর আন্দোলনকারীরা রেজিস্ট্রারকে ঘেরাও তুলে নেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার তারা জানতে পারেন কিছু চুক্তিভিত্তিক আধিকারিক নিয়োগের বিজ্ঞাপনের প্রস্তুতি চলছে। পুনরায় তারা আন্দোলন শুরু করেন। তাদের দাবি পূরণ নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় মিটিয়ে তবেই নতুন বিজ্ঞাপন করা হোক।



কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় ২০১০ সালে দৈনিকে বিজ্ঞাপন দিয়ে কিছু অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করে। তখন থেকে আজ ৭২ টি পদে স্থায়ী নিয়োগ হয়নি। পরবর্তীকালে ২০১৮ ও ২০১৮ সালে পুনরায় নিয়োগের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। সংগ্রহ হয় আবেদন পত্র‌ও। কিন্তু দুবারের কোনো বারেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়নি। ইতিমধ্যেই শূন্যপদ বেড়ে দাঁড়ায় ১০৮। এই পরিস্থিতিতে অস্থায়ী কর্মীরা রেজিস্ট্রারের চেম্বারের সামনে বুধবার বিক্ষোভ শুরু করেন। প্রায় চার ঘণ্টা আটকে রাখেন।  আন্দোলনকারী সৌমেন্দ্র চন্দ্র মন্ডল বলেন, দীর্ঘ নয় বছর ধরে আমরা অস্থায়ীভাবে কাজ করছি। অন্যান্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞাপন বের হচ্ছে অথচ আমাদের স্থায়ী করার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো হেলদোল নেই। তাই বাধ্য হয়েই আমরা আন্দোলনে নামলাম।



বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য শংকর কুমার ঘোষ এর উপস্থিতিতে এক আলোচনার পর কর্তৃপক্ষ আন্দোলনকারীদের জানায় সাত দিনের মধ্যে তাদের বিষয়টি নিয়ে বিশেষ ভাবে ভাবা হবে। অস্থায়ী কর্মীরা আন্দোলন তুলে নেন।



কিন্তু বেশ কিছু আধুনিক আধিকারিক পদে নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে শুনে বুধবারের আন্দোলনকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার পুনরায় রেজিস্ট্রারকে ঘেরাও করেন। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত ঘেরাও চলছে সৌমেন্দ্র চন্দ্র মন্ডল বলেন, আমরা নিয়োগের বিরোধী নই। কিন্তু আগে আমাদের বিষয়ে সদর্থক সিদ্ধান্ত নিক কর্তৃপক্ষ। তারপরেই নতুন নিয়োগের বিজ্ঞাপন করুক।



যাইহোক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেবাংশু রায় সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলতে চাননি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শংকর কুমার ঘোষকে পাওয়া যায়নি ফলে তার কোন মন্তব্য মেলেনি।
Bengali Movie Air Hostess

Loading...

No comments

Powered by Blogger.