দেহরক্ষী নিতে চাইছেন না পৌরপ্রধানেরা


মৌমিতা সিনহা, হুগলী:বছর তিনেক অাগে হুগলী জেলায় ভদ্রেশ্বরের একেবারে নিজের বাড়ির সামনেই খুন হন ভদ্রেশ্বরের পৌরপ্রধান মনোজ উপাধ্যায়।
তার পর মাঝে কেটে গিয়েছে বেশ কিছুটা সময়, কিন্তু সম্প্রতি নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাস খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে অাবার নতুন করে ঝড় ওঠে।এই ঘটনায় চোখে অাঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় তৃনমুল নেতা মন্ত্রী দের নিরাপত্তার বিষয়কে।এদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে জোরদার সওয়াল ওঠে।এরপরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।রাজ্যর বিধায়ক থেকে পৌরপ্রধান এবং পঞ্চায়েত প্রধান সহ বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন নেতা নেত্রীদের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত প্রসাশন।কিন্তু দেখা যাচ্ছে কিছু কিছু পৌরসভার পুরপ্রধানেরা নিরাপত্তা রক্ষী নিতে অাগ্রহী হলেও ব্যাতিক্রম রয়েছে কিছু পুরপ্রধানের ক্ষেত্রে ।তারা তাদের নিরাপত্তা রক্ষী নিতে প্রকাশ্যেই অনিহা দেখিয়েছে।এদের মধ্যে হুগলী জেলার বৈদবাটী পৌরসভার পুরপ্রধান অরিন্দম গুইন, রিষড়ার পৌরপ্রধান বিজয় মিশ্র,কোন্নগরের পৌরপ্রধান বাপ্পাদিত্য সহ বেশ কিছু পৌরপ্রধান তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী মোতায়ন বিষয়ে বলেন তারা তাদের পৌর এলাকার জন প্রতিনিধি এই এলাকার নাগরিকেরাই তাদের দেহরক্ষী।

বিপদে অাপদে তিনি যেমন সবার পাশে থাকেন তেমনই পৌর অঞ্চলের সাধারণ মানুষ তার পাশে থাকেন বলে তারাই তাদের দেহরক্ষী। তাই অালাদা করে তাদের দেহরক্ষীর প্রয়োজন নেই।গত বৃহস্পতিবার চন্দননগর কমিশনারেটে পুলিশ প্রশাসন, জন প্রতিনিধিদের নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে একটি বৈঠক করে।সেখানেই বেশ কিছু পৌরপ্রধানেরা তাদের নিরাপত্তার নিতে সরাসরি না বলে দেয়।এদিকে নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে কোন্নগর কানাইপুর পঞ্চায়েত প্রধান অাচ্ছালাল যাদব দাবি করেন সময় পাল্টানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা বিষয়ে নিজেদের সতর্ক থাকা উচিত জন প্রতিধিদের।পুলিশ প্রসাশন যদি মনে করে, যে ব্যাক্তি বিশেষে নিরাপত্তার রক্ষী প্রয়োজন অাছে, তাহলে তাতে অমান্য করা উচিত নয়।প্রত্যেকেরই জিবনের দাম অাছে।তবে নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের দপ্তরে বৈঠক হলেও সে বৈঠকে ডাকাই হয়নি উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবির ঘোষালকে।তিনি বলেন এই বিষয়ে অামি কিছু যানি না। অামাকে সেখানে ডাকাই হয়নি।নতুন করে তার নিরাপত্তা রক্ষীর প্রয়জন অাছে বলে তিনিও তা মনে করেন না।
Bengali Movie Air Hostess

Loading...

No comments

Powered by Blogger.