অসমিয়া সংরক্ষণ করে বাঙালিকে আসামে দাস বানাচ্ছে বিজেপি!


স্বাধীনতার সময় থেকেই আসাম বাঙালি বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়। 'বঙ্গাল খেদা' আন্দোলন হয় পঞ্চাশের দশকে। তারপর বরাকে ১৯৬১ র ভাষা আন্দোলনে অসমিয়া জাতিবাদী পুলিস গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় বাঙালিদের, ১১ জন বীর বাঙালি শহীদ হোন। এরপর থেকে বারবার বাঙালির রক্তে ভিজেছে আসাম, বাঙালির রক্তে হোলি খেলেছে আসু এবং জঙ্গি সংগঠন উলফা। যখন আসামে একের পর এক গণহত্যা হচ্ছে, তখন বাঙালির রক্তখেকোদের শান্ত করতে আসাম চুক্তি হয় ১৯৮৫ সালে। একতরফা চুক্তি, বাঙালিকে আইনি ভাবে দাস বানানোর কথা বলা হয় বিলে।
বিলের ছয় নং ধারা অনুযায়ী অসমিয়া ভাষাগোষ্ঠী ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে সংরক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট এই ছয় নং ধারাকে বলবৎ করতে বদ্ধপরিকর। শিলচরের সভায় মোদি এটা ঘোষণাও করেছে। গঠিত হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি, সেখানে কোনো বাঙালি নেই। আসামে সংখ্যার নিরিখে বাঙালি বৃহত্তম ভাষাগোষ্ঠী। কিন্তু শুধুমাত্র অসমিয়ারা বাঙালির ভাগ্য ঠিক করবে।
এই সংরক্ষণের ফলে আসামের আপামর বাঙালি দাস হয়ে যাবে। ভোটে দাঁড়াতে পারবে না, চাকরি-বাকরি পাবে না, ব্যবসা করতে পারবে না, জমি বাড়ি কেনা-বেচা করতে পারবে না। সংখ্যার নিরিখে নগন্য হবে এই সুযোগ সুবিধা। অর্থাৎ মোদি আসামের বাঙালিকে শেষ করে দিল। ছটা অসমিয়া গোষ্ঠীকে ST ক্যাটেগোরিতে ঢোকাচ্ছে এবং এস টি বলে সংরক্ষণ দেবে। আসামের বাঙালি আজ ঘোর বিপদে।
Loading...
Powered by Blogger.