মহেশতলার বিধায়কের সাংবাদিক সম্মেলন




মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মহেশতলায় একটি সাংবাদিক সম্মেলনে ডাক দিয়েছিলেন মহেশতলার বিধায়ক তথা পুরসভার চেয়ারম্যান দুলাল দাস মহাশয়। মূলত সাংবাদিক সম্মেলনের উদ্দেশ্য হল উনিশে ফেব্রুয়ারি কস্তুরী দাস মেমোরিয়াল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এর উদ্বোধন। আপাতত দিশারী হেলথ পয়েন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের সাথে যৌথ ভাবে মহেশতলা পৌরসভার তত্বাবধানে চালানো হবে, আগামি ৩০ বছরের জন্য । দুলাল বাবু যেমনটা আমাদেরকে জানালেন অন্যান্য নার্সিংহোম গুলো তে যা যা সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায় তার সবকিছুই এখানে পাওয়া যাবে তবে তুলনামূলক ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কম খরচায়। যেহেতু মহেশতলা পৌরসভা কর্তৃক এই বিল্ডিংটি পুরোপুরি তৈরি করে দেয়া হয়েছে তাই স্থানীয় মানুষ যাতে এমার্জেন্সি চিকিৎসা টা দ্রুত এইখানেই পান তার ব্যবস্থা উনি করবেন অর্থাৎ এই হসপিটাল এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাথমিক চিকিৎসা করে সাময়িক সুস্থ করার পরে রোগিকে যাতে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা যায়। এই মুহূর্তে এই হাসপাতালটিতে বেডের সংখ্যা হবে ৩৫০ টি, এবং বহির্বিভাগ হবে ৮ টি,অপারেশন করার জন্য ৮ রুম। এ ছাড়াও সিটি স্ক্যান, এমআরআই এবং বিভিন্ন প্যাথলজিক্যাল টেস্ট অতি স্বল্প খরচে এখানেই করা যাবে। সরকারি হাসপাতালের মতো সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা এখানে করানো সম্ভব হবে না।তবে বিভিন্ন হেলথ কার্ডের যা যা ফেসিলিটি পাওয়া যায়, ভবিষ্যতে সেগুলোরও ব্যবস্থা করা হবে।তবে এই হাসপাতালে জরুরি অবস্থার মোকাবিলার জন্য তৈরি করা হয়েছে রেম্প টানেলের।১৯৭৬ সালে সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের আমলে মোট ১০ বিঘা জমিতে ৩০ বেডের হাসপাতাল তৈরির জন্য এই জায়গাটি দেয়া হয়েছিল, যার মধ্যে দেড় বিঘা জমিতে পুনর্বাসন এবং সাড়ে ৮ বিঘা জমিতে মহেশতলা পৌরসভা প্রায় ৭০ কোটি টাকায় এই হাসপাতাল টি গড়ে তুলেছে।প্রতিদিন দুস্থ ৫০ জন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা এবং ১৫% বেড ভাড়ায় ছাড় দেওয়া হবে।
Loading...

No comments

Powered by Blogger.