জয়নগর খুনের ঘটনার মুল অভিযুক্ত ধৃত



মৃন্ময় নস্কর ,দক্ষিন ২৪ পরগণা :দিল্লিতে আত্মগোপন করেও শেষ রক্ষা হল না বাবুয়ার। নিউ দিল্লির দয়ালপুর নেহেরু বিহার এলাকাতে বাবুয়ার এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে সি আই ডির টিম আব্দুল কাহার মোল্লা ওরফে বাবুয়া সহ আব্দুল হোসেন গাজি ,মনিরুদ্দিন গাজি কে গ্রেপ্তার করেছে। সি আই ডি আগে থেকেই বাবুয়ার খোঁজ পেতে বেশ কিছু নম্বর ট্রেক করেছিল। সেই মোবাইল ফোনের সূত্র ধরেই সি আই ডির এক ডি এস পির নেতৃত্বে ৫ জনের টিম দিল্লিতে হানা দেয়। তারপর শুক্রবার ভোর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিন জনকে শুক্রবার পূর্ব দিল্লির কারকরবুমা আদালতে তোলা হয়। ৪ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে তাদের কলকাতায় এনে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। প্রসঙ্গত , এই খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দাঁড়াল ২০। খুনের মূল অভিযুক্ত ধরা পড়ে যাওয়ায় ঘটনার যবনিকা পরল বলে মনে করছে সি আই ডি। জয়নগরের ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের হাসান পুরের বাসিন্দা আব্দুল কাহার সরদার। সারফুদ্দিন খানের খুনের ছক এক মাস আগেই কষেছিল এই মাস্টার মাইন্ড আব্দুল কাহার সরদার ওরফে বাবুয়া , অভিযুক্ত সাজামল লস্করের ভাই ছটুর বাড়িতেই অভিযুক্ত কায়েম মোল্লা , বাবুয়া ,সাজামল লস্কর , ছটু লস্কর সহ ৫ জন গোপন বৈঠক করে খুনের ছক কষে। বাবুয়া এই খুনের জন্য টাকার জোগান দিয়েছিল। খুনের ঘটনার দিন মূল অভিযুক্ত বাবুয়া দুর্গাপুরের পেট্রল পাম্প সংলগ্ন এক বাদাবনের কাছে ছিল। মূল ঘটনার নেতৃত্বে ছিল সে। গত ১৩ ডিসেম্বর জয়নগরের দুর্গাপুর পেট্রোল পাম্পে গুলি বর্ষণ ও বোমা মেরে খুন করা হয় জয়নগরের ব্লকের তৃনমূল কংগ্রেসের জয়হিন্দের সভাপতি সারফুদ্দিন খান সহ গাড়ির চালক মইনুল হক মোল্লা, আমিন আলি সরদারকে। এরপর দক্ষিন ২৪ পরগনা সফর কালে নাম খানায় প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন জয়নগরে গুলি চালনায় বাকি অভিযুক্তদের দ্রত গ্রেপ্তারের। আর ‌সেই নির্দেশ মতই অবশেষে সি আই ডির হাতে গ্রেপ্তার হল আব্দুল কাহার মোল্লা ওরফে বাবুয়া ।
Loading...
Powered by Blogger.