‘বিকৃত যৌনমনস্কেরা আমাদের চারপাশেই আছে’


#মিটু আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। তিনি বলেন, শুধু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিই নয়। গোটা সমাজেই লিঙ্গের ভিত্তিতে বিভাজন রয়েই গেছে। তার মতে, যৌন বিকৃতমনস্কেরা সর্বত্র রয়েছে।

ভারতে বিশেষ করে বলিউডে যেভাবে #মিটু আন্দোলন তুঙ্গে পৌঁছেছে সে সম্পর্কে জ্যাকলিন বলেন, মনে রাখতে হবে জেন্ডার ডায়ালগ অনেক দিন ধরেই রয়েছে, আর তা শুধু আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতেই সীমাবদ্ধ নেই। দুঃখের বিষয় বিকৃত যৌনমনস্কেরা চারপাশেই রয়েছে।মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) জেড নামে একটি ব্র্যান্ডের দশম অ্যানিভার্সারি উপলক্ষ্যে কনিকা কাপুরের সঙ্গে র‍্যাম্পে হাঁটেন জ্যাকলিন। তারপরেই তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, কখনও তারা আমাদের বাড়ির সঙ্গেও যুক্ত থাকে, তাই আমরা সব সময়ে বুঝতে পারি না এটা যৌন হেনস্থা নাকি শক্তি প্রদর্শন। আমরা যদি সমাধান চাই এবং সমাজে সুরক্ষিত কাজের পরিবেশ চাই তা হলে আমাদের বিষয়টিতে লেগে থাকতে হবে।
#মিটু প্রসঙ্গে কনিকা কাপুর বলেন, আমি খুবই শকড। যারা এমন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন তাদের জন্য খুব খারাপ লাগছে। আমার ভেবে ভালো লাগছে যে প্রতি মুহূতর এ বিষয়ে ভারত আরও একটু করে সুরক্ষিত হওয়ার পথে পা বাড়াচ্ছে। আমি এই আন্দোলনকে পুরো সমর্থন করি।
তিনি আরও বলেন, এই আন্দোলনের জেরে আমাদের দেশের প্রায় সব মহিলারই আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। আমার আশা এ ভাবেই পৃথিবী একদিন আরও বেশি করে সুরক্ষিত ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।
তনুশ্রী দত্ত নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ আনার পরেই ভারতে #মিটু আন্দোলন আরও জোরালো হয়ে ওঠে। তারপরেই রাজনীতি, মিডিয়া এবং এন্টারটেনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ সামনে আসে।
সাজিদ খান, রজত কাপুর, কৈলাশ খের, অলোক নাথ, বিকাশ বহেল, এম জে আকবর, অনির্বাণ ব্লাহ, আশিস পাতিল, পেন্টার যতীন দাস, লেখক বরুন গ্রোভার, কাস্টিং ডিরেক্টর ভিকি সিদানা এবং মুকেশ ছাবরার বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ ওঠে।
Loading...
Powered by Blogger.