শেখ শাহজাহানের ২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লেনদেন স্তব্ধ করল ED

শেখ শাহজাহানের ২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লেনদেন স্তব্ধ করল ED

রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার শেখ শাহজাহানের ২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লেনদেন স্তব্ধ করে দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এর মধ্যে একটি অ্যাকাউন্ট শাহজানারে ব্যক্তিগত। অন্যটি তাঁর সংস্থার। এছাড়া শাহজাহান ঘনিষ্ঠদের ১৫টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে ইডি। তলব করা হয়েছে শাহজাহানের সংস্থার ২ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকে।

চিংড়ি রফতানির আড়ালে শাহজাহান প্রায় ১৩৭ কোটি টাকা পাচার করেছেন বলে আগেই আদালতে জানিয়েছিল ইডি। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পেশ করে হেফাজতে নেন তদন্তকারীরা। ইডি সূত্রের খবর, ২০১১ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চিংড়ি রফতানির নামে এই টাকা পাচার করেছেন শাহজাহান। কলকাতার ২টি চিংড়ি রফতানি সংস্থার সঙ্গে শাহজাহানের সংস্থার ১০৪ কোটি ও ৩৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে।

ইডির দাবি, শাহজাহানের সঙ্গে যোগ রয়েছে সন্দেশখালি জেলার একাধিক ভেড়ি কারবারির। মের্সাস সাবিনা ফিসারিজ নামে যে সংস্থার মাধ্যমে যে সংস্থার মাধ্যমে চিংড়ি রফতানি হত তার ম্যানেজার মইদুল ইসলামের বয়ানকে হাতিয়ার করেছে ইডি। বুধবার শাহজাহানকে মইদুলের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়।

সন্দেশখালির ভেড়ি ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, শেখ সাবিনা ফিসারিজের মাধ্যমে চিংড়ি রফতানি না করলে যাবতীয় কারবার বন্ধ করে দেওয়া হবে।

গত ৫ জানুয়ারি থেকে প্রায় ৫৫ দিন ফেরার থাকার পর গত ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালতের নির্দেশে শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয় রাজ্য পুলিশ। এর পর কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শাহজাহানকে সিবিআই হেফাজতে পাঠিয়ে দিতে বাধ্য হয় তারা। এর পর গত শুক্রবার শাহজাহানকে জেল হেফাজতে পাঠায় আদালত। মঙ্গলবার তাকে হেফাজতে নেয় ইডি।

Politics West Bengal