ব্রেকিংঃ বিজেপিতে যোগ কংগ্রেস নেতা


আবার ফের বড়সড় ভাঙনের মুখে পড়ল মুর্শিদাবাদের অধীর চৌধুরীর কংগ্রেস ৷ বিজেপিতে যোগ দিলেন অধীর-ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা। রবিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন অনুপম ঘোষ নামে ওই কংগ্রেস নেতা। তিনি প্রদেশ কংগ্রেসের সম্পাদক ছিলেন। কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়ার বিভাগও ছিল তাঁর দায়িত্বে। অনুপম বসু বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় কার্যত রাজ্যে বড়সড় ধাক্কা খেল প্রদেশ কংগ্রেস। তিনি প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরির একসময়ের ঘনিষ্ঠ নেতা বলেও জানা গিয়েছে।


নিজের দলত্যাগ প্রসঙ্গে অনুপম বলেন ‘অধীর চৌধুরীকে যথেষ্ট সম্মান করি৷ এরাজ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে যদি সবচেয়ে বেশি কেউ লড়াই করেন তাহলে সেটা অধীর চৌধুরীই ৷ কিন্তু বর্তমানে তৃণমূলের বিরোধী শক্তি বিজেপি৷ কংগ্রেস কোথাও একটা যেন তৃণমূলের সঙ্গে আপোষ করে চলেছে৷ তৃণমূলের বিকল্প হিসেবে মানুষ বিজেপিকে মর্যাদা দিচ্ছে৷ আমরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়তে চাই৷ বিজেপি একটা প্ল্যাটফর্ম৷ সেই কারণেই বিজেপিতে যোগ দেওয়া মনে করি।
অধীর চৌধুরীকে প্রদেশ সভাপতির পদ থেকে সরানোর পরেই তাঁর অনুগামীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়৷ কোনওভাবেই বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের লবির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছিলেন না তাঁরা৷ তৈরি হচ্ছিল সংঘাত৷ ফলে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার হিড়িক তৈরি হয় অধীর অনুগামীদের মধ্যে৷
এরই মধ্যে শোনা যায় বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীরও৷ তবে সূত্রের খবর লোকসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যাচ্ছেন না অধীর চৌধুরী৷ লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের টিকিটেই মুর্শিদাবাদ থেকে লড়ার কথা রয়েছে তাঁর৷ তবে ভোটের পরবর্তী সময়ে কী হবে, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে৷
সোমেন মিত্র প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার পর মনে করা হয়েছিল দলের সাংগঠনিক ক্ষেত্রে বড়সড় রদবদল হবে৷ ছাঁটা হতে পারে অনুপম ঘোষে দায়িত্ব অর্থাৎ সোশ্যাল মিডিয়ার ইনচার্জের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে৷ তবে তা হয়নি৷
তাই অনুপম ঘোষের দলত্যাগের পর সোমেন অনুরাগীদের বক্তব্য যথেষ্ট সম্মান নিয়ে দলে ছিলেন অনুপম৷ কিন্তু তার মর্যাদা না দিয়ে কেউ দল থেকে সরে গেলে কিছু করার নেই৷
Powered by Blogger.