ব্রেকিং: ইস্তফা দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়


ইস্তফা দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সচিব গৌতম সান্যালের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন।

এমনই জানা গেলো সূত্রে। সেই সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে এদিন বিধানসভা অধিবেশনের প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে উত্তপ্ত বাদানুবাদ হয় শোভন চট্টোপাধ্যায়ের।এরপরেই তিনি সকল মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন শোভনবাবু। সেই মোতাবেক ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী। যদিও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ইস্তফা গৃহীত হয়েছে কিনা সেই বিষয়ে নিবান্নের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা স্নেহের পাত্র ছিলেন শোভন। প্রিয় ভাইকে কানন বলে ডাকেন দিদি মমতা। কয়েক বছর ধরে এই ভালোবাসায় ভাটা পড়েছে। বিভিন্ন ঘটনায় তা প্রকাশ্যেও এসেছে বহুবার। একাধিকবার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে সাবধান করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিদির সেই সাবধানতা ভাই কানন অগ্রাহ্য করে যাচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছিল।
শোভন চট্টোপাধ্যায় কলকাতা পুরসভার মেয়র ছাড়াও রাজ্যের দমকল এবং আবাসন মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন। সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুসারে মেয়র পদ ছাড়া বাকি দুই মন্ত্রীর পদ থেকে তিনি ইস্তফা দিয়েছেন। যদিও তৃণমূলেরই অপর একটি সূত্রের দাবি শোভনবাবু ইস্তফা দিলেও কিছুক্ষণ পরে তিনি তা ফিরিয়েও নিয়েছেন।
শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ইস্তফার বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি। সম্পূর্ণটাই জল্পনা। কিন্তু শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যে দলের একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে তা স্পষ্ট। এর পিছনে শোভনের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক একটা বড় কারণ। মূলত সেই কারণেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
কলকাতার এক কলেজের অধ্যাপিকার সঙ্গে শোভনের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায় বছর খানেক আগে। যার কারণে নিজের স্ত্রী এবং সন্তানদের সঙ্গেও এখন আর সম্পর্ক নেই শোভনবাবুর।
Powered by Blogger.