দক্ষিণেশ্বরের স্কাইওয়ার্ক এবার কালিঘাটেও!


কালীঘাট মন্দিরের স্কাইওয়াকের কাজ শীঘ্রই শুরুর পথে সম্প্রতি উদ্বোধন হয়েছে দক্ষিণেশ্বরের স্কাইওয়াকের৷ সেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, স্কাইওয়াক হবে কালীঘাটেও৷ এবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তব রূপায়ণে শুরু হল তৎপরতা৷ নবান্ন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার কালীঘাটের স্কাইওয়াকের জন্য বরাদ্দ করা হল ১২৫ কোটি টাকা৷ খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে বলেও প্রশাসন থেকে জানা গিয়েছে ৷ দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দিরে যাওয়ার জন্য ৩৮০ মিটার লম্বা স্কাইওয়াক তৈরি করা হয়েছে৷ এর জন্য খরচ হয়েছিল ৬৫ কোটি টাকা৷ কালীঘাটে তার থেকেও বড় হবে এই স্কাইওয়াক৷ এটা প্রায় সাড়ে চারশো মিটার লম্বা হবে৷ চড়াও হবে প্রায় সাড়ে দশ মিটার৷ ফলে খরচও অনেক বেশি হবে বলে প্রশাসনের ওই সূত্র থেকে জানা গিয়েছে৷দক্ষিণেশ্বরের কালীমন্দিরে যাওয়ার জন্য ৩৮০ মিটার লম্বা স্কাইওয়াক তৈরি করা হয়েছে৷ এর জন্য খরচ হয়েছিল ৬৫ কোটি টাকা৷ কালীঘাটে তার থেকেও বড় হবে এই স্কাইওয়াক৷ এটা প্রায় সাড়ে চারশো মিটার লম্বা হবে৷ চড়াও হবে প্রায় সাড়ে দশ মিটার৷ ফলে খরচও অনেক বেশি হবে বলে প্রশাসনের ওই সূত্র থেকে জানা গিয়েছে৷প্রশাসন চাইছে ২০১৯ সালের মার্চেই কাজ শুরু করে দিতে৷ ২০২০ সালের অক্টোবরের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রাও দেওয়া হয়েছে৷ নির্মাণ কাজের দায়িত্বে থাকবে কেএমডিএ৷ তবে কাজ শুরুর আগে রাইটস-এর পরামর্শও নেওয়া হতে পারে৷ প্রশাসন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, এসপি মুখার্জি রোডের উত্তর দিক থেকে স্কাইওয়াক শুরু হবে৷ শেষ হবে কালীঘাট থানার সামনে৷ যাঁরা দক্ষিণ দিক থেকে আসবেন, তাঁদের জন্য একটি আলাদা ফুটব্রিজ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে৷ ওই ফুটব্রিজকে স্কাইওয়াকের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হবে৷ গ্রিক অর্থডক্স চার্চের সামনে স্কাইওয়াকের সঙ্গে ওই ফুটব্রিজ জুড়ে যাবে৷ এছাড়া কালীঘাট মেট্রো স্টেশন থেকে বেরিয়েও সরাসরি স্কাইওয়াকে উঠে পড়া যাবে৷

প্রশাসনের একটি সূত্রের মতে, দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াক নির্মাণ করা যতটা সহজ ছিল, এখানে কাজ করাটা ততটা সহজ নয়৷ কারণ রয়েছে অনেকগুলি জটিল কাজ প্রথমত, স্কাইওয়াক যেখানে নির্মাণ করা হবে, তার ঠিক নিচেই রয়েছে মেট্রোর লাইন৷ ফলে কাজ চলাকালীন যাতে মেট্রোর টানেলে কোনও ক্ষতি না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে কর্তৃপক্ষকে৷ অবশ্য এ নিয়ে মেট্রো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করা হবে ৷পাশাপাশি কালীঘাট মন্দির চত্বরে অনেক হকার রয়েছে৷ সেটাও একটা বড় সমস্যা হবে৷ সবদিক খতিয়ে দেখেই কাজ এগনো হচ্ছে বলে প্রশাসনের ওই সূত্রের দাবি৷
Powered by Blogger.