জামুড়িয়া ইকড়া গ্রামের বাম কালি

[pullquote align="normal"] [/pullquote]

আসানসোলঃ জামুরিয়া শিল্প তালুকের ইকড়া গ্রামে আজও সাধক বামাক্ষেপা কালী বলে পূজিত হন মা কালী।তারাপীঠ ছেড়ে ইকরা গ্রামে বামা খেপার অস্তিত্ব চমকে দেওয়ার মতো। কথিত আছে অন্ডাল জেসিডি ট্রেনে করে সাধক বামাক্ষেপা কোথাও যাচ্ছিলেন।  উনার কাছে টিকিট না থাকায় ইকড়া স্টেসনে অদূরে  তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়।  কিন্তু  এরপর  ট্রেনটি ওই স্থানেই  দাঁড়িয়ে পড়ে । ট্রেনের চালক  হাজার চেষ্টা করলেও  ট্রেনটিকে  এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেনি । পরে  ট্রেনের কবিরা জানতে পারেন তারা যাকে নামিয়েছেন তিনি একজন সিদ্ধপুরুষ। এরপরই ট্রেন টির কর্মীরা  সাধক বামাক্ষ্যাপা কে  খোজার জন্য বের হন  তারা এসে দেখেন  ইক রেলস্টেশনের  থেকে 200 মিটার দূরে  ইকরা শ্মশানে  তিনি বসে আছেন সাধক বামাক্ষেপা কে  বারংবার  ট্রেনে পুনরায় চাপার অনুরোধ জানালেও তিনি আর চাপেন নি  কিন্তু  ট্রেন কর্মীদের জানিয়ে দেয়া হয়  তোমরা নিশ্চিন্তে  যাও  কথিত আছে  এরপরই  ট্রেন চালক  ট্রেনটি কি নিয়ে যেতে  সমর্থ হয় । সেইখানে তিনি ধ্যান করেন । যার পাশ দিয়ে বয়ে চলে ছিল সিংহারন নদী ।

তারপরেই  তিনি দেখতে পান বাবু বাড়ির এক কর্তা বিজয় গোবিন্দ চ্যাটার্জি কে। তার সঙ্গেই বাবু বাড়িতে এসেছিলেন তেরোশো তেরো সালে। প্রায় ৪-৫  বার এই গ্রামে এসেছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপা। তারাপীঠ থেকে আসতেন আবার তারাপীঠ ফিরে যেতেন। যখন ইকড়া গ্রামে আসতেন তখন  মহিষা বুড়ি  নামে একটি পুকুর পাড়ে একটি গাছ তলায় তিনি বসতেন। কথিত আছে সেখানেই তিনি তন্ত্র সাধনা করেন, পূজা অর্চনা করেন যতবার এসেছেন এখানেই তিনি বসতেন।
 আজ মহিষা বুড়ি সেই পুকুর পাড়ে তার মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। তিনি যে ত্রিশূল নিয়ে আসতেন তা এখনও সেখানে রাখা রয়েছে সুরক্ষিত ভাবে। বামাক্ষ্যাপার আশীর্বাদে ইকরা শ্মশান আজ মহা শ্মশানে পরিণত হয়েছে কথিত আছে কোন ব্যক্তিকে যদি ইকরা মহাশ্মশানে দাহ করা হয় তাহলে সেটা তারাপীঠ মহাশ্মশান এর সমান পূর্ণ লাভ করবে তাই কার্তিক মাসের কালী পূজায় এই দুই স্থানে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ জন আসেন পুজোর দেখার জন্য পূজার কয়েকদিন খিচুড়ি ভোগ খাওনা হয়
[pullquote align="normal"] [/pullquote]
Powered by Blogger.