অঙ্গদানে নতুন দিশা রাজ্য সরকারের

 ছবিঃবিভাস লোধ 

সরকারি চিকিৎসা পরিষেবায় নতুন দিশা দেখাচ্ছে রাজ্য সরকার ৷ তার নজির স্থাপন করল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ৷ এই প্রথম রাজ্যের কোনও সরকারি হাসপাতালে চলেছে হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন। শনিবার সকালে এসএসকেএম থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে হৃদযন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয়৷ তৈরি করা হয় গ্রিন করিডর৷ এসএসকেএম থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছতে সময় লাগে মাত্র ছয় মিনিট৷শুক্রবার বিকেলে এসএসকেএম হাসপাতালে ব্রেন ডেথ হয় দক্ষিণ২৪ পরগনার পূজালির বাসিন্দা বছর তিরিশের সৈকত লাট্টুর৷ সৈকতের পরিবারের কাছে মরণোত্তর অঙ্গদানের প্রস্তাব দেন চিকিৎসকরা৷ প্রথমে কিছুটা দ্বন্দ্ব থাকলেও পরে ছেলের অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত নেন সৈকতের বাবা ও মা ৷ শুরু হয় গ্রহীতার খোঁজ৷ রিজিওনাল অরগ্যান অ্যান্ড টিস্যু ট্রান্সপ্লান্ট অরগানাইজেশনের তরফে জানা যায়, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি রয়েছেন রানিগঞ্জের রাখাল দাস৷ গত প্রায় ২০ দিন ধরে হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি৷ সিন্ধান্ত হয় রাখালবাবুর শরীরেই প্রতিস্থাপিত হবে সৈকতের হৃদযন্ত্র৷ সূত্রে খবর, ১২ জন চিকিত্সকের দল রাখাল দাসের হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন৷

এছাড়াও সৈকতের কিডনি, লিভার ও কর্নিয়াও অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপিত করার সম্মতি মেলে তার পরিবারের তরফে৷ তবে এইসব অঙ্গের ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের গ্রহীতা পাওয়া যায়নি৷ ব্রেন ডেথ হওয়া সৈকতের কর্নিয়া দেওয়া হয় শঙ্কর নেত্রালয়ে৷ এছাড়াও তার কিডনিও দান করা হয়৷ ত্বক সংরক্ষিত রয়েছে এসএসকেএমে৷
                                                             ছবিঃ বিভাস লোধ 
Powered by Blogger.