বেআইনি মদ উদ্ধার!গ্রেফতার ১১



শান্তিপুর বিষমদকাণ্ড এর পর নড়েচড়ে বসল পুলিশ ভাঙড়, সোনারপুর, নরেন্দ্রপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১ জন মদ বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ , উদ্ধার হয়েছে প্রচুর বেআইনি চোলাই সহ দেশি বিদেশি মদ।


পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসন্তীতে হাইওয়ের পাশে পাগলারহাটে মুদির দোকানে আড়ালে বেআইনি মদের কারবার ফেঁদে বসেছিল দুই কারবারি। চোখের ইশারায় মিলত মদের বোতল। এই খবর গোপন সূত্রে পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ভাঙড়ের পাগলারহাট বাজারে স্পেশাল অপারেশনে নামে ডিএসপি ক্রাইম সৌম সরকারের নেতৃত্বে ভাঙড় থানার পুলিশ ও র্যাফ।মুদির ও পানীয় দ্রব্য বিক্রির দোকান থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর বেআইনি মদ। পুলিশ জানিয়েছে, মুদির দোকানে ঢুকে তল্লাশি করতেই উদ্ধার হয় পেটি পেটি মদের বোতল। এই কান্ড কারখানা দেখে মদ্যপান করতে আসা যুবকেরা বাইক ফেলে পড়িমড়ি করে পালিয়ে যায়।পাশের আর এক দোকানদার দোকান ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তার দোকানেও তল্লাশি চালিয়ে ফ্রিজ থেকে উদ্ধার হয় মদ।অবৈধভাবে মদ বিক্রির অভিযোগে প্রভাত মন্ডল এবং তরুণ মন্ডল কে গ্রেফতার করে পুলিশ ।ধৃতদের শুক্রবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। স্থানীয় মানুষজনের বক্তব্য, বেআইনি মদের কারবারের জন্য এলাকায় দুষ্কৃতীদের আনাগোনা লেগেই থাকে। পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিপুর বিষমদকাণ্ড এর পর রাজ্য জুড়েই অবৈধ দেশি মদ ও চোলাই বন্ধে নতুন করে শুরু হয়েছে অভিযান।এই অভিযানের অংশ বিশেষ ভাঙড়ের বিভিন্ন যায়গায় লাগাতার অভিযান চলবে বলে জানা গিয়েছে।

পাশাপাশি সোনারপুর থানার পুলিশ ১৮ টি মদের ঠেকে তল্লাশি চালিয়ে ৭ জন মদ বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে এর মধ্যে ৪ জন মহিলা। উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২০০ লিটার মদ। অন্যদিকে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ রানিয়া ও পাঁচপোতা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১৩০ লিটার মদ সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
Powered by Blogger.