ভোট পেতে কৌশল বিজেপি-আরএসএসের!


প্রতিশ্রুতি যা দেওয়া হয়েছিল তার সিকিভাগও পূরণ হয়নি৷ এমনটাই অভিযোগ বারবার উঠছে বিজেপির বিরুদ্ধে ৷ কখনও কখনও বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হচ্ছে দলের নেতাদের৷

এই পরিস্থিতিতে প্রমাদ গুণছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব৷ ক্ষোভের মাত্রা বাড়তে থাকলে ভোটে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিজেপি শীর্ষস্তরের নেতারা ৷  ফলে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে তড়িঘড়ি আসরে নেমেছে গেরুয়া শিবিরের থিঙ্কট্যাঙ্ক৷ তাঁদের শেষ ভরসা রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য। আরএসএসের প্রচারকদের কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশে এখন ভোট নিয়ে চরম ব্যস্ত বিজেপি৷ সেখানে বিধানসভার ভোট নেওয়া হবে আগামী ২৮ নভেম্বর৷ প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে দলের নিচুতলার নেতৃত্ব সবাই প্রচারে ব্যস্ত৷ ওই রাজ্যে গত ১৫ বছর ক্ষমতায় শিবরাজ সিং চৌহানের সরকার৷ ফলে এবার প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা ভোটে বড় ফ্যাক্টর বলে তথ্যভিজ্ঞ মহলের মত৷ তার উপর বেশ কয়েক জায়গায় বিজেপির প্রার্থী ও নেতারা প্রচারে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন৷ তার পরই টনক নড়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের৷ ভোটের সপ্তাহ খানেক বাকি৷ তার আগে এই পরিস্থিতি সামাল দিতেই শুরু হয়েছে তৎপরতা৷ দলের হেভিওয়েট নেতাদের মধ্যপ্রদেশের চম্বল, বিন্ধ্য, বুন্দেলখণ্ড এলাকায় ঘাঁটি গাড়তে বলা হয়েছে৷ সেখানে কয়েকদিন থাকবেন আরএসএসের একাধিক পর্যবেক্ষক৷ তাঁদের কাজ হবে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলা৷ কৌশলে তাঁদের ক্ষোভ জেনে নেওয়া হয়৷ সেই ক্ষোভ প্রশমনের ব্যবস্থা করা৷বিজেপির একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, গোটা বিষয়টি মনিটর করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরকে৷  এছাড়া শেষ মুহূর্তে হেমা মালিনি ও উমা ভারতীর মতো হেভিওয়েটদের প্রচারে নামানো হচ্ছে৷
Powered by Blogger.