কুসংস্কার আর বিজ্ঞানের লড়াই!পাতাল ভৈরবীর পুজা

[pullquote align="normal"] [/pullquote]



চাঁদনীঃ শ্যামা নামেই লাগলো আগুন এগরার বলীঘাইয়ে। এলাকার কিশোর সঙ্ঘের সেই রুদ্ররূপী পাতাল ভৈরবী কালীর পুজো হল শনিবার রাতে। প্রায় দেড়লক্ষ টাকা খরচে তান্ত্রিকরা মিলে করলেন এই বিশেষ পুজো। আর যা দেখার জন্য ভিড় জমালেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। ভিড় সামলাতে ছুটতে হল এগরা সহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি থানার পুলিসকে। এই ঘটনাকে ঘিরে আগেই শুরু কুসংস্কার আর বিজ্ঞানের লড়াই। কিন্তু এদিনের রাতে তান্ত্রিক দিয়ে এই পুজোর পর সে লড়াইয়ে কার্যত জয় ছিনিয়ে নিয়েছে কুসংস্কার। আর একবিংশ শতকের এই আধুনিক সমাজ ব্যবস্থাকে আঙুল তুলে বুঝিয়ে দিয়ে গেছে আমরা এখনও পড়ে আছি সেই সুদূর মধ্যযুগে। পোশাকে-আশাকে আধুনিক হলেও আমাদের মানসিকতা এখনও কুসংস্কারময়। আর এই ব্যর্থতার দায় সম্পূর্ণভাবে প্রশাসনেরই বলছেন বিজ্ঞানমঞ্চের প্রতিনিধিরা। কালিপুজোর রাত থেকেই নাকি বালিঘাইর ওই মুর্তিররূপে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ। স্থানীয় প্রশাসনের নজরে ছিল ঘটনা। 


পরে সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয় সে খবর। স্বাভাবিকভাবে আরও বেশি সজাগ থাকা উচিত ছিল স্থানীয় প্রশাসনের। উল্টে উলিসের উপস্থিতিতে শুরু হল তন্ত্র পাঠ,যজ্ঞ। যা অবশ্যই ভাবাচ্ছে সমাজকে। বালিসাই জনবিজ্ঞান কেন্দ্রের মুখপাত্র শিক্ষক নন্দগোপাল পাত্রের দাবি অবশ্য তেমনি।বলেন, এই ঘটনা যেমন স্থানীয় মানুষের কুসংস্কারের প্রতি আস্থার দিকটা স্পষ্ট করে তুলেছে, তেমনি স্থানীয় প্রশাসন যে মানুষকে বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলতে ব্যর্থ তা প্রমাণিত। ঘটনা জানার পর প্রশাসনের দুর্বলতার কারণ অন্তত সেই কথাই বলে।"
[pullquote align="normal"] [/pullquote]
Powered by Blogger.