সর্বপ্রথম গ্রাম পঞ্চায়েতে দূষণ মুক্ত বৈদ্যুতিক চুল্লি উদ্বোধনের অপেক্ষা



নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বারুইপুরের বুকচিরে আদি গঙ্গার বয়ে গেছে।এর পাশেই বহু প্রাচীন শ্মশান রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম জোড়ামন্দির ও কৃর্তনখোলা শ্মশান। বহু প্রাচীন কালথেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকার জয়নগর, কুলতলি, বিষ্ণুপুর, ক্যানিং, গোসবার মানুষ জন এই শ্মশান শবদাহ করে আসছেন। মানুষের চাহিদা অনুযায়ী শ্মশানে কিছু সময় কাঠের অভাব কিছু সময় জমির অভাব ছিল । আধুনিকতার ও জনসংখ্যা বাড়ায় সমস্যা বেড়েছে কয়েক গুন।সভ্যতার সাথে সাথে গড়ে উঠেছে জনবসতি স্কুল কলেজ , রাজ্যে পালা বদলের পাশাপাশি নতুন সরকার আশার পরই প্রাধান লক্ষ্য স্বাস্থ্য ও শিক্ষা, তাই বারুইপুরের এক সাথে দুটি ইলেকট্রিক চুল্লি ।

কাঠের চুল্লি থাকায় বাড়ছিল বারুইপুরের কল্যানপুর পঞ্ছায়েতের পুরন্দরপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় বাড়ছিল পরিবেশ দূষণ , জোড়া মন্দির ঘাট এলাকায় এই কাঠের চুল্লির ফলে অস্বাস্থ্য কর পরিবেশের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে শুরু করে আশ পাশের স্কুল পড়ুয়া শিক্ষক –শিক্ষিকা এমনকি বারুইপুর কলেজের ছাত্র –ছাত্রীদের । স্কুল পড়ুয়ারা এর জেরে অসুস্থও হয়ে পড়েছিল । এ হেন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতে রাজ্য সরকারের উদ্যগে জোড়া মন্দির শ্মশান ঘাটে দেড় কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হয়েছে বৈদ্যুতিক চুল্লি ,আধুনিক ভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে এই শ্মশানকে ।আপাতত একটি বৈদ্যুতিক চুল্লি করা হয়েছে । যা আগামী কিছুদিনের মধ্যেই সারম্বরে উদ্বোধন হতে চলেছে । শুধু বারুইপুরের পুরন্দরপুর পঞ্চায়েত এলাকা নয় , দক্ষিন ২৪ পরগনার বারুইপুর ,বিষ্ণুপুর ,জয়নগর থেকে মানুষ শবদাহ করতে আসে এই শ্মশানে । এর ফলে উপকৃত হবে লক্ষাধিক মানুষ । পাশাপাশি শ্মশানের এলাকা সৌন্দর্য্যায়নের প্রতি নজর দেওয়া হচ্ছে , আলো থেকে শুরু করে আধুনিক প্রতিক্ষালয় , শৌচালয় নির্মিত হয়েছে । সব মিলিয়ে আধুনিক মহাশ্মশানে বৈদ্যুতিক চুল্লি পরিপূর্ণতার পথে ।
Powered by Blogger.